
শেষ আপডেট: 29 January 2020 02:51
গতকাল আইএমডি-র ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত থেকেই তাপমাত্রা বেশ খানিকটা বাড়বে। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। ৩০ তারিখ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডেই মূলত বৃষ্টি হবে। ফলে বাংলাদেশ লাগোয়া জেলা যেমন নদীয়া, মুর্শিদাবাদ এবং দুই চব্বিশ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৩১ তারিখ শুক্রবার থেকে আকাশ পরিষ্কার হবে দক্ষিণবঙ্গে। রোদঝলমলে দিনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নামবে পারদ। দিন থাকবে শুষ্ক। তবে ৩০ তারিখের পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও, বর্ষণ চলবে উত্তরবঙ্গে। ৩১ তারিখ দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। ১ ফেব্রুয়ারির পর উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলেই মত আবহবিদদের।
চলতি মরশুমে শীত আসতে বেশ দেরি হয়েছিল বাংলায়। তার গতিপ্রকৃতিও ছিল বেজায় খামখেয়ালি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, শীতের প্রধান নিয়ন্ত্রক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার খামখেয়ালি চরিত্রের জন্যই এই মরশুমে শীতের প্রকৃতিও ছিল অদ্ভুত। প্রতিবছর মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে ঠান্ডা থাকে বাংলায়। তবে এবছর একেবারেই শীত ছিল না মকর সংক্রান্তিতে। বলা ভাল, ওই দিন থেকেই তাপমাত্রা আচমকাই বাড়তে শুরু করেছিল। দিনে গরম আর সন্ধের পর হাল্কা শিরশিরানি এটাই হয়ে গিয়েছিল গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের শীতের বৈশিষ্ট্য।
তবে যাওয়ার আগে বাংলায় মরণ কামড় বসিয়ে যাবে শীত। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস উত্তর থেকে দক্ষিণ জানুয়ারির শেষ কয়েক দিন ফের ঠান্ডায় কাঁপবে গোটা রাজ্য।