দ্য ওয়াল ব্যুরো: কীর্তনের প্রতি তাঁর টানের কথা বাংলার রাজনৈতিক মহলের অনেকেরই জানা। কয়েকদিন আগেই দেখা গিয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে অনুকুল ঠাকুরের ভক্তদের একটি অনুষ্ঠানে কীর্তনে অংশ নিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তমলুক শহরে মহাপ্রভু চৈতন্য দেবের ৫১১ তম আগমন দিবস উপলক্ষে বিরাট উৎসবের আয়জন করা হয়েছিল। তাতে মন্ত্রী শুধু যোগই দিলেন না। কয়েকশো খোল-করতাল সহযোগে সারা তমলুক শহর পরিক্রমাতেও পা মেলালেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।
এদিন তমলুকের রাখাল মেমোরিয়াল ফুটবল গ্রাউন্ড থেকে হাজার হাজার ভক্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেযন। তাতে সামিল হন পরিবহণমন্ত্রী। মহাপ্রভু মন্দিরের সেবায়েত-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল নজরকাড়া। কলকাতার ইসকন মন্দির থেকেও ভক্তরা যোগদেন ওই অনুষ্ঠানে।
মন্ত্রী খোল বাজিয়ে এই শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ঘোষণা করেন বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় (৫১ ফুট) চৈতন্য দেবের মূর্তি স্থাপন হবে এই তমলুকে।
৯১৬ বঙ্গাব্দের ফাল্গুনের শুক্লা পঞ্চমীতে নীলাচলে যাওয়ার পথে তমলুকে বেশ কিছু দিন ছিলেন চৈতন্যদেব। সেই দিনের কথা স্মরণ করে প্রতিবার আগমন দিবস উদযাপিত হয় তমলুকে। এদিন মন্ত্রীর পাশাপাশি ওই শোভা যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন তাম্রলিপ্ত পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ সেন, ভাইস চেয়ারম্যান শ্যামল আদক-সহ একাধিক কাউন্সিলর।
যদিও এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ও তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। দলের তমলুক সাংগঠনিক সভাপতি নবারুণ নায়েক বলেন, “ঠেকায় পড়ে ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। সামনেই পুরসভার ভোট। ভোটের জন্যই এমন বোধোদয় হয়েছে।”