দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূল ছাত্রপরিষদের রাজ্যসভাপতি কে হবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও সাত দিন।
শনিবার দুপুরে তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে জরুরি সভা থেকে তৈরি হলো পরামর্শদাতা কমিটি। যে কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন সভাপতির নাম ঠিক করে ফেলবে।
কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। কমিটিতে রয়েছেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই পরামর্শদাতা কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে টিএমসিপি-র সদ্য প্রাক্তন রাজ্যসভাপতি জয়া দত্তকে।
গত ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, ১০-১৫ দিনের মধ্যে নতুন কমিটি করে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে এই প্রথম দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসের সমাবেশ হয়েছে সভাপতিহীন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই কলেজে কলেজে ভর্তি দুর্নীতিতে নাম জড়ায় শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের। হস্তক্ষেপ করতে হয় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে। রাস্তায় নামতে হয় কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে। এরপরই টিএমসিপি-র রাজ্যসভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় জয়াকে।
জয়ার অপসারণের পর থেকেই নানান নাম নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। কেউ বলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেত্রী লগ্নজিতা চক্রবর্তীর নাম কেউ আবার সামনে আনেন রুমানা আখতারের নাম। ২৮ তারিখ বিকেল বেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলাবলি শুরু করে দেন নতুন সভাপতি হচ্ছেন বারাসাত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সামলানো নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টচার্য। কিন্তু তারপর সেই নামেও বিঘ্ন ঘটে। অভিযোগ ওঠে, তৃণাঙ্কুর আসলে জয়ার লোক। তাই তাঁকে সভাপতি করলে জয়াকে সরানোর উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। কারণ জয়ার হাতেই থেকে যাবে চাবিকাঠি। এরপরই শনিবারের মিটিং ডাকে তৃণমূল। সূত্রের খবর, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নজরে রেখেছেন এক পোড় খাওয়া ছাত্রনেতাকেও।