
শেষ আপডেট: 19 June 2020 12:16
লাইনের উপরে উল্টে পড়ে লরিটি।[/caption]
মেদিনীপুরের ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (এফসিআই) গুদাম থেকে দুশো দশ বস্তা গম নিয়ে লরিটির পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্টো দিকে অর্থাৎ মেদিনীপুর থেকে ঝাড়গ্রাম যাওয়ার রাস্তায়। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে এফসিআই গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণে গম নিয়ে লরিটি কেন উল্টো দিকে যাচ্ছিল। গাড়ির মালিক কমল বিদ বলেন, “রামনগরের রাস্তা ওটা নয়। চালক আমাকে জানান গাড়ির ব্রেকে সমস্যা হচ্ছে তাই খড়্গপুরের নিমপুরায় গাড়িটি সারাতে নিয়ে যাবেন। গাড়িটির আসল চালক চৌরঙ্গীতে খেতে নেমে যান। তখন হেল্পার গাড়িটির ব্রেক সারাতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখনই দুর্ঘটনা ঘটে।”
৬ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে রেলের যে ওভারব্রিজ রয়েছে সেই ওভার ব্রিজের ব্যারিকেড ভেঙে লরিটি রেলের বৈদ্যুতিক লাইনের উপরে পড়ে। সেখান থেকে লাইনে। তখন গাড়ির মধ্যে দু’জন ছিলেন। এক জন গাড়ি থেকে ছিটকে যান। গাড়ির স্টিয়ারিং যাঁর হাতে ছিল তিনি লাইনের উপরে পড়েন গাড়ি সমেত। এই ক্ষেত্রে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আগুন ধরে যেতে পারত লরিতে। সে ক্ষেত্রে বড় বিপদ ঘটে যেত।
ঘটনাস্থলের অদূরে রেশমি মেটালিকস নামে একটি কারখানা রয়েছে। তার নিরাপত্তাকর্মীরা দুর্ঘটনা ঘটতে দেখেই ছুটে যান লরিটির কাছে। সংস্থার অন্য কর্মীরাও হাজির হয়ে যান। কারখানা থেকে ক্রেন ও বুলডোজার নিয়ে হাজির হয়ে যান কর্মীরা। তাঁরাই উদ্ধারকাজ শুরু করেন। রেশমি মেটালিকসের জেনারেল ম্যানেজার পার্থসারথি বৈদ্য বলেন, “আমাদের নিরাপত্তাকর্মীরা প্রথম ঘটনাটি দেখেন। আমরা রেল ও প্রশাসনকে জানিয়ে তখনই উদ্ধার কাজ শুরু করে দিই।” খবর পেয়ে রেলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা লরিটিকে লাইনের উপর থেকে সরানোর ব্যবস্থা করেন। তাঁরা জানিয়েছেন, এই সময় লাইনে কোনও ট্রেন থাকলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
লাইন থেকে গাড়ি সরিয়ে বিদ্যুতের তারে জোড়া লাগাতে তিন ঘণ্টা মতো সময় লাগে।