দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা নিয়ে উৎকণ্ঠায় সারা দেশ। দেশজোড়া লকডাউনের মধ্যেই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। কিন্তু সে ব্যাপারে যেন ভ্রুক্ষেপই নেই পার্কসার্কাস ও মেটিয়াবুরুজের কাচ্চি সড়কের। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি, এনপিআরের বিরুদ্ধে এখনও চলছে ধর্না। এই পরিস্থিতিতে এবার তা থামিয়ে দিতে কলকাতা পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে টুইট করলেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।
এদিন টুইট করে রাজ্যপাল লিখেছেন, "এবার পার্কসার্কাস ও কাচ্চি সড়কের অবস্থান-ধর্না শেষ হোক। করোনা সংক্রমণ রুখতে যে সব পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশ তা নিশ্চিত করুক।" এই টুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন রাজ্যপাল। তিনি আরও লিখেছেন, "এখন আমাদের ১০০ শতাংশ দিয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে হবে।"
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1243156022979518464
শাহিনবাগের ধর্না উঠে গিয়েছে। সেখানকার আন্দোলনকারীরা ধর্নাস্থলে নিজেদের জুতো-চটি রেখে এসেছেন। প্রতীকী কায়দায় জানান দিতে চেয়েছেন করোনা সঙ্কট মিটলে ফের তাঁরা আন্দোলনে বসবেন। কিন্তু কলকাতায় সেসব একেবারেই হয়নি। বরং তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন যাই হয়ে যাক উঠবেন না।
যদিও দু'জায়গাতেই ভিড় কমেছে আগের তুলনায়। কিন্তু ফাঁকা হয়নি। এই স্বাস্থ্য সঙ্কটের সময়ে আন্দোলন চালানো যুক্তিযুক্ত কিনা তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে আন্দোলনকারীদের মধ্যেও। মোমিনপুরের এক নেতা সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, "জীবনই যদি না থাকে তাহলে নাগরিকত্ব হারানো না হারানোর লড়াইয়ের কী দাম আছে!" যদিও তিনি এও বলেছেন, "এটা আমার একার আন্দোলন নয়। তাই আমার কথায় কিছু হবে না।"
এনিয়ে টিপ্পনি কাটতে ছাড়েনি বিজেপি। রাজ্য বিজেপির এক মুখপাত্রের কথায়, "মুখ্যমন্ত্রী তো এ বাজার সে বাজার ঘুরে, এক্কা-দোক্কার ছক কেটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলছেন। পারলে একবার কষ্ট করে পার্কাসার্কাস আর.মেটিয়াবুরুজে ঘুরে আসুন!"