
শেষ আপডেট: 9 May 2020 13:39
শুধু তাই নয়। ইমামস অ্যাসোসিয়েশন আরও লিখেছে, "মানুষ আগে বাঁচুক, পরে উৎসব। আমরা এত স্যাক্রিফাইস করেছি, আরও করব। আমাদের উৎসবের দরকার নেই।" অন্য দোকানপাট কেন খোলা হল, সে ব্যাপারে পুলিশ কেন কিছু বলল না এসব নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে বিব্রত করা হবে না বলেও জানিয়েছেন ইমামরা।
আগামী ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃতীয় দফার লকডাউনের পর কেন্দ্র যদি তা তুলেও নেয়, রাজ্য সরকার যেন লকডাউন জারি রাখে তার আর্জি জানিয়েছে ইমামদের সংগঠনটি। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তাঁরা লিখেছেন, রাজ্য যেন কেন্দ্রের কাছে দাবি জানায় লকডাউন জারি রাখতে।
প্রসঙ্গত, লকডাউন পর্বের শুরু থেকেই ইতিবাচক ভূমিকা নিয়েছে বেঙ্গল ইমামস অ্যাসোসিয়েশন। কখনও মসজিদ কমিটিগুলিকে চিঠি দিয়ে বলেছে দরজা বন্ধ করে দিন। সাধারণ মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্দেশে তাঁদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতে থেকেই নামাজ পড়ুন।
সবে বরাত এবং রমজান মাস শুরুর আগেও লকডাউন যাতে কঠোর ভাবে মানা হয় তার জন্য বিবৃতি জারি করেছিল বেঙ্গল ইমামস অ্যাসোসিয়েশন। তা ছাড়া লকডাউনের মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছিল, বিধিনিষেধ না মেনেই চলছে নামাজ পড়া। সেই সময়ে একটি বিবৃতিতে বেঙ্গল ইমামস অ্যাসোসিয়েশন লিখেছিল, গুটিকয়েক লোকের জন্য সমগ্র মুসলিম সম্প্রদায়ের বদনাম হচ্ছে। সেই সুযোগে কেউ কেউ ঘৃণা ছড়াচ্ছে। এদিন ফের একবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে ইমামস অ্যাসোসিয়েশন বোঝাতে চাইল, কোনও গোঁড়ামিকে তাঁরা প্রশ্রয় দেবেন না। আগে মানব সমাজের অস্তিত্ব তারপর ধর্মীয় উৎসব।