দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘুর্ণীঝড় উমফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে কলকাতায় এসে পৌঁছল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার নবান্নের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ওই দলে সাত জন প্রতিনিধি আছেন। দু’টি ভাগে ভাগ হয়ে শুক্রবার প্রতিনিধিদের একটি দল দক্ষিণ ২৪ পরগনা পরিদর্শনে যাবে। আরেকটি দল যাবে উত্তর ২৪ পরগনায়। তাঁরা ৬ জুন দিল্লি ফিরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট দেবেন।
উমফান এ রাজ্যে আছড়ে পড়ার পরের দিনই ফোন করে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথ বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরে ২২ মে এ রাজ্যে উমফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উমফান কবলিত দুই জেলা হেলিকপ্টারে পরিদর্শন করেন তিনি। তারপরে বসিরহাট কলেজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে নিয়ে তিনি ঘোষণা করেন, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য অগ্রিম হিসাবে রাজ্যকে ১ হাজার কোটি টাকার অনুদান দেবে কেন্দ্র। তারপরে রাজ্য সরকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব কষা শুরু করেছে। রাজ্যে ফসল ও বাড়িঘরের বিপুল ক্ষতি হয়েছে। সুন্দরবনে নষ্ট হয়েছে বহু গাছ। নদীর বাঁধ ভেঙেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটেই ১৪৯ টি বাঁধের ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভরা কোটালে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা রয়েছে।
তা ছাড়া উমফানের দাপটে শহরেও বহু গাছ নষ্ট হয়েছে। এখনও বিছিন্ন ভাবে কয়েকটি এলাকায় সাময়িক ভাবে বিদ্যুতের পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতা শহরও রয়েছে। এখনও বহু মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। অনেক মাটির বাড়ি পুরো মাটিতে মিশে গেছে।