দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রাথমিক কাঠামো তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রাম জন্মভূমি ন্যাসের কার্যকরী সভাপতি রামবিলাস বেদান্তি। ইন্দোরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার এই ট্রাস্ট (রামমন্দির ট্রাস্ট) গড়ার পরে মন্দির নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আমার মনে হয় ২০২৪ সালের ভোটের আগে মন্দিরের মূল কাঠামো তৈরি হয়ে যাবে।”
তিনি বলেন, “শ্রীরামচন্দ্রের জন্মভূমিতে ৬৭ একর জমির উপরে তৈরি হতে চলা মন্দিরটি বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির হতে চলেছে ফলে এই জায়গাটি আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্রও হতে চলেছে।”
এক সময় বিজেপির সাংসদ ছিলেন বেদান্তি। তিনি মনে করেন, “যদি সম্ভব হয় তা হলে এই মন্দির তৈরর জন্য আরও জমি অধিগ্রহণ করতে পারে সরকার।” তিনি জানিয়েছেন, সন্তদের ইচ্ছা অনুযায়ী এই মন্দিরের উচ্চতা ১,১১১ ফুট হতে পারে।
বেদান্তি বলেন, “এই মন্দির এতটাই উঁচু হবে যে সেটি ইসলামাবাদ, কলম্বো ও কাঠমাণ্ডু থেকেও দেখা যাবে। আমাদের ইচ্ছার সঙ্গে সুর মিলিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে দিয়েছেন যে মন্দির হবে আকাশছোঁয়া।” পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো এবং নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু।
যাঁরা এতদিন ধরে এই মন্দিরের জন্য লড়াই করলেন তাঁরা কেন এই ট্রাস্টে জায়গা পেলেন না? উত্তরে তিনি বলেন, “যাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে এবং যাঁরা দলের লাইন মেনে নির্বাচনে লড়েছেন তাঁদের এই ট্রাস্টের বাইরে রাখা হয়েছে।” নিজেও যে বিজেপির হয়ে দু’বার নির্বাচনে লড়েছেন সেকথাও অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, “সরকার যে ট্রাস্ট তৈরি করেছে তা ভাল হয়েছে। যাঁরা এই ট্রাস্টে আছেন তাঁরা আমাদের ইচ্ছানুসারেই মন্দির তৈরি করবেন।”
দিল্লিতে হিংসার জন্য এদিন কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টিকে (আপ) দুষেছেন তিনি। এজন্য তিনি কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী, প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী, সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা বঢরা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন।