দ্য ওয়াল ব্যুরো: জোড়া খুন করার পর মহিলার পোশাক পরে এলাকা ছেড়েছিল ভাঙড়ের সাট্টা কারবারী নেপ্তাউদ্দিন। তারপর কলকাতার রাস্তাতেই ভিখারি সেজে ফুটপাথে বসে দিন ছয়েক কাটিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ছদ্মবেশ ধরেও লাভ হল না। ভাঙড়ের সাট্টা কারবারী ও জোড়া খুনে অভিযুক্তকে শুক্রবার রাতে টালা এলাকার ফুটপাথ থেকে গ্রেফতার করল ভাঙড়ের কাশিপুর থানার পুলিশ।
শ্যালক লাল্টু মোল্লার সঙ্গে সাট্টার পয়সা নিয়ে গোলমাল হয়েছিল নেপ্তাউদ্দিনের। সেই নিয়েই খুনোখুনি। জানা গিয়েছে, শ্যালকের থেকে টাকা না পাওয়ায় তাঁকে খুন করে নেপ্তাউদ্দিন। কিন্তু চোখে পড়ে যায় ভাইপো রবিউল ইসলামের। তাই সাক্ষীকেও সরিয়ে দিতে রেয়াত করেনি এই সাট্টা কারবারী। রবিউল ইসলামকেও সে খুন করে বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, খুনের পর বোরখা পরে এলাকা ছেড়ে পালায় নেপ্তাউদ্দিন। মোবাইলও ফেলে গিয়েছিল বাড়িতেই। যাতে মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে না ধরতে পারে পুলিশ।
গত ২৬ জুন ভাঙড়ে জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে ছিল। তারপর থেকেই গা ঢাকা দেয় নেপ্তাউদ্দিন। তার খোঁজে কলকাতা ও শহরতলিতে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। শেষমেশ গতকাল রাতে টালার ফুটপাথ থেকে গ্রেফতার করা হয় জোড়া খুনের মূল অভিযুক্তকে। এদিন তাকে আদালতে তোলা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেপ্তাউদ্দিনকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।