
শেষ আপডেট: 7 April 2022 10:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মূল্য বৃদ্ধি (Price Rise) পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার নবান্নে টাস্ক ফোর্সের বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সাধারণ মানুষকে সুরাহা দিতে ওই বৈঠক থেকেই তিনি এদিন এক প্রকার মুখে মুখে বেশ কিছু সবজি, ফল ও আনাজের দাম কমানোর ঘোষণা করলেন (Mamata Banerjee on Price Cut)। তবে কম দামের এই সব ফল সবজি শুধুই সরকারি বিপণন কেন্দ্র সুফল বাংলায় পাওয়া যাবে।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, বাজারে যে আলুটা কেজি প্রতি ২২ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে, তা সুফল বাংলায় পাওয়া যাবে ১৮ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ সরকার চার টাকা দাম কমাল। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বসে থাকা পরিবহণ মন্ত্রী ববি হাকিম অবশ্য বৈঠক চলাকালীন বলেন, খুচরো বাজারে আলু এখন কেজি প্রতি ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ সে ক্ষেত্রে সুফল বাংলায় ১২ টাকা কম দামে পাওয়া যাবে (Mamata Banerjee on Price Cut)।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, আলুর পাশাপাশি পেঁয়াজের দামও কমানোর কথা ভেবেছেন তিনি। দু’রকমের পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া যায়। নাসিকের পেঁয়াজ আর সুখসাগর পেঁয়াজ। নাসিকের পেঁয়াজের দাম বাজারে ২২ টাকা। সুফল বাংলায় সেটা কেজি প্রতি ২০ টাকায় পাওয়া যাবে। আর সুখসাগর পেঁয়াজের চাষ বাংলায় হয়। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়ায় এর চাষ হচ্ছে। এই পেঁয়াজ বাংলার ঘরের পেঁয়াজ। এর দাম বাজারে কেজি প্রতি ২০ টাকা। তা কমিয়ে সুফল বাংলায় কেজি প্রতি ১৫ টাকায় পাওয়া যাবে (Mamata Banerjee on Price Cut)।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও জানিয়েছেন, সুফল বাংলায় কলার দামও কমানো হবে। তাঁর কথায়, 'কলাটা সবাই খায়। বড়রা খায়, ছোটরা খায়, হিন্দুরা খায়, মুসলমান খায়, শিখরা খায়, খ্রিস্টান খায়।' তাই বাজারে যে কলাটা ডজন প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা সুফল বাংলায় ২৫ টাকায় পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে সুফল বাংলায় পেঁপের দামও ৩ টাকা কমানোর কথা বলেন মমতা। সুফল বাংলায় এখন পাকা পেঁপে প্রতি কেজি ৪৮ টাকা দামে বিক্রি হয়। তা কমে ৪৫ টাকা হবে। এ ছাড়া সুন্দরবনের চাষীদের থেকে তরমুজ সংগ্রহ করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সুফল বাংলায় তরমুজ ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে বলেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বাইরে যেখানে লাউ কেজি প্রতি ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা সুফলে পাওয়া যাবে ২২ টাকায়। ফুলকপি বাজারে ৩৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, সুফল বেচবে ২২ টাকায়। শশা পাওয়া যাবে কেজি প্রতি ৫২ টাকায়। সেই সঙ্গে আদা, রসুন বাজারের থেকে কেজি প্রতি ১০ টাকা কম দামে পাওয়া যাবে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সরকারের আর্থিক সামর্থ সীমিত। তাই সবই তো সরকার কম করে দিতে পারে না। কিন্তু যে সব আনাজ রোজ লাগে তার দাম কমানোর চেষ্টা করা হল। যেমন, আলু, পেঁয়াজ, শসা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, আদা, রসুন। তা ছাড়া খাবারে মধ্যে কলা, পেঁপে, ছোলা, তরমুজের দাম কমানো হল।
ভেজাল ওষুধে বাজার ছেয়ে গেছে, ল্যাব বানাবে রাজ্য: মুখ্যমন্ত্রী