দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ আর উত্তেজিত কথা নয়!
সৌগত রায়কে পাঠানো শুভেন্দু অধিকারীর হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তার পর শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শুনে সত্যিই মনটা খারাপ হয়ে গেল।”
মঙ্গলবার রাতে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর সৌগত রায় দাবি করেছিলেন, আলোচনা খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ছেন না।
তার পরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, “আগের কথার আর পোস্টমর্টেম নাই বা করলেন। সব যদি ভালয় ভালয় মিটে যায় তা হলেই তো সবার ভাল। শুভেন্দু আমার ভাইয়ের মতো। আমাদের উদ্দেশ্য তো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাস্ত করা। নিজেদের ঐক্যবদ্ধ রাখা।”
কিন্তু মঙ্গলবার রাত আর বুধবার দুপুরের রাজনৈতিক পরিবেশের যেন আসমান-জমিন ফারাক। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁকে ফের ফোন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “গত রাতে সৌগতদার কথা শুনে এতটাই আনন্দ পেয়েছিলাম যে রাত দেড়টা পর্যন্ত ছেলের সঙ্গে আড্ডাও মেরেছি। খুব আনন্দ হচ্ছিল। তৃণমূল তো একটা পরিবারের মতোই। কিন্তু আজ আপনাদের থেকে শুনছি টেক্সট মেসেজের কথা। খারাপ লাগছে।”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ভাবে বরাবরই আগ্রাসী মেজাজের। তা নিয়ে বাইরে বিরোধীরা সমালোচনা করলেও. এটাও ঠিক যে সময়ে সময়ে তৃণমূলের জন্য কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভার পর তাঁকে আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায়। পরে শুভেন্দু হুগলি রিভারব্রিজ কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলে সেই পদে তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তবে তাঁর এদিনের বক্তব্য থেকে অনেকে মনে করছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈরিতা চান না তিনি। রাজনৈতিক ভাবে সওয়াল জবাব তো হতেই পারে। সেটা রাজনীতির দস্তুর।