Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ

বাজিতেই কাঁচা টাকা, আর কাজ কই! তাই জীবন বাজি রেখে পটাশিয়াম নাইট্রেটের সঙ্গে বাস

সুকান্ত চট্টোপাধ্যায় এক ফসলি জমিতে বর্ষার চাষ আর বাজি (Crackers), এর মধ্যেই আবর্তিত নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেরিনানপুকুরিয়া-সহ প্রায় ১০টি গ্রামের অর্থনীতি (Village Economy)। প্রায় ৪০ হাজার বাসিন্দার শতকরা ৮৫ ভাগই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

বাজিতেই কাঁচা টাকা, আর কাজ কই! তাই জীবন বাজি রেখে পটাশিয়াম নাইট্রেটের সঙ্গে বাস

শেষ আপডেট: 28 August 2023 07:57

সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়

এক ফসলি জমিতে বর্ষার চাষ আর বাজি (Crackers), এর মধ্যেই আবর্তিত নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেরিনানপুকুরিয়া-সহ প্রায় ১০টি গ্রামের অর্থনীতি (Village Economy)। প্রায় ৪০ হাজার বাসিন্দার শতকরা ৮৫ ভাগই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। কর্মসংস্থানের অন্য কোনও সুযোগ না থাকায় এলাকায় ছড়িয়ে থাকা বাজি কারখানাগুলিই রুটিরুজির ভরসা স্থানীয় মানুষদের সিংহভাগের।

এমনকী মাসে ১৮-১৯ হাজার টাকা বেতনের প্রলোভনে চলে আসেন ভিনরাজ্যের শ্রমিকরাও। নিরাপত্তার ন্যুনতম ব্যবস্থা ছাড়াই বছরের পর বছর কাজ করে যান শ্রমিকরা। যাদের বড় অংশ আবার জুড়ে রয়েছে শিশুরা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বারাসত স্টেট ইউনিভার্সিটি ও একটি বেসরকারি স্কুল তৈরির সময় বেশ কিছুদিন কাজ পেয়েছিলেন এলাকার মানুষ। ফলে নির্ভরতা কমেছিল বাজি শিল্পে (Crackers)। এখন সে সব কাজ না থাকায় আবার সেই বাজি কারখানাগুলোই ভরসা।

এ তো গেল বেতনের বিনিময়ে শ্রমের কথা। বিপুল মুনাফার টানে প্রতিদিনই আয়তনে বাড়ছে বাজি গ্রাম। সাকুল্যে খরচ করা ১৫ টাকায় যে তুবড়ি তৈরি হচ্ছে তা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। পরে খোলা বাজারে দাম বাড়ছে আরও। সরকার শেল নিষিদ্ধ করলেও, আরামসে ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে এই বাজি। ১০০ থেকে ১২৫ টাকায় তৈরি এই বাজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। মারাত্মক পটাশিয়াম নাইট্রেট ছাড়া শেল তৈরি করা যায় না। সেই মারাত্মক বিস্ফোরকও অবহেলায় ব্যবহৃত হচ্ছে বাজি গ্রামগুলিতে।

এই এলাকার দীর্ঘদিনের বাসিন্দারা বলছেন, “বাম আমলেও একইভাবে চলেছে বাজি তৈরির কাজ। শ্রমিকদের সুরক্ষা বা এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে মাথাই ঘামাননি কেউ। তৃণমূলের আমলেও সেই ধারাবাহিকতাই চলছে।” বাজার অর্থনীতিতে মুনাফা বাড়ায় আগের খড়-মাটির কাঁচা ঘর পাকা ঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে বিস্ফোরণের অভিঘাতও তীব্র হয়েছে আরও।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দত্তপুকুরের এই গ্রামগুলি মোটের উপর বর্ডার এলাকা। বারাসত পুলিশ ডিস্ট্রিক্ট ও ব্যারাকপুর কমিশনারেটের সমস্ত থানার পুলিশ এই অবৈধ বাজির কারবারের কথা জানে। কিন্তু আয়ের রাস্তা খোলা রাখতেই চোখ বন্ধ করে রাখে। বড় কোনও ঘটনা ঘটলে সাময়িক নাড়াচাড়া পড়ে। আবার সবকিছু সময়ের নিয়মেই থিতিয়ে যায়। লাভের গুড় খাওয়ার অভ্যেসেই বছরের পর বছর ধরে চলে এই বাজি কারখানাগুলি।

আরও পড়ুন: ত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত বেড়ে ৯, ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিন্নভিন্ন দেহ, বাজি না বোমা তদন্তে পুলিশ


```