দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা ভোটে ভরাডুবি হয়েছে দলের। আর তারপরেই হারের দায় মাথায় নিয়ে কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে চেয়েছেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে সমর্থকরা বারবার তাঁকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আর্জি জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী এক মাস কোনও টেলিভিশন চ্যানেলে বিতর্ক সভায় অংশ নেবে না তাদের কোনও মুখপাত্র। এ কথা জানিয়েছেন কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা।
বৃহস্পতিবার নিজের টুইটারে এ কথা জানিয়েছেন সুরজেওয়ালা। টুইটারে তিনি লেখেন, "কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী এক মাস টেলিভিশনে কোনও বিতর্কসভায় কংগ্রেসের কোনও মুখপাত্রকে পাঠানো হবে না। সব মিডিয়া চ্যানেল ও এডিটরদের অনুরোধ করা হচ্ছে তাঁদের অনুষ্ঠানে কোনও কংগ্রেস মুখপাত্র না ডাকার জন্য।"
https://twitter.com/rssurjewala/status/1133924556324954118
লোকসভা ভোটে হারের পর কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য রাহুল অবিচল। কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকেও এ কথা বলেছেন তিনি। রাহুলের বক্তব্য, গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কংগ্রেসের সভাপতি খুঁজে নিক দল। কিন্তু ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধীই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি মোদীকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিলেন। সুতরাং এই মুহূর্তে তাঁর থেকে যোগ্য কেউ নেই, যিনি কংগ্রেস সভাপতি হতে পারেন। বারবার কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতারা রাহুলকে তাঁর সিদ্ধান্ত বিবেচনা করে দেখার অনুরোধ করেছেন।
এমনকী গোটা দেশ জুড়ে কংগ্রেসের সমর্থকরাও বারবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রাহুল গান্ধীকে কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই ডামাডোল অবস্থার মধ্যে কোনও বিতর্কসভায় অংশ নেওয়া অনুচিত মনে হয়েছে কংগ্রেসের কাছে। আর তাই কংগ্রেসের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
https://www.four.suk.1wp.in/pm-amit-shah-meet-ahead-of-grand-oath-today/