৮ কোটি লোককে গ্যাস দিয়েছি, কারও ধর্ম কি জানতে চেয়েছি, বিরোধীদের তোপ মোদীর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে বিরোধীরা নিয়ম করে তোপ দাগছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে। রাহুল গান্ধী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সীতারাম ইয়েচুরি থেকে এম কে স্ট্যালিন—প্রত্যেকেরই বক্তব্য ধর্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভাজ
শেষ আপডেট: 22 December 2019 11:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে বিরোধীরা নিয়ম করে তোপ দাগছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে। রাহুল গান্ধী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সীতারাম ইয়েচুরি থেকে এম কে স্ট্যালিন—প্রত্যেকেরই বক্তব্য ধর্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন করতে চাইছে মোদী সরকার। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানের সমাবেশ থেকে সেই প্রসঙ্গ তুলেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মোদী।
এদিন মোদী বলেন, “অনেকেই দেখছি অনেক কথা বলছেন। আমি নাকি জাত, ধর্ম দেখে সব করছি। কিন্তু আমি আজ আপনাদের কাছে জিজ্ঞেস করছি, উজ্জ্বলা যোজনা প্রকল্পে আট কোটি মানুষের ঘরে গ্যাস পৌঁছে দিয়েছি। তাঁদের কাছে কি তাঁদের ধর্ম জানতে চেয়েছি? বেছে বেছে কি কোনও ধর্মের লোক ওই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন? দেড়কোটি পরিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরি করেছে? আপনারা বলুন, আমি কি ধর্ম দেখে তাঁদের বাড়ি করে দিয়েছি?”
রবিবার থেকে দিল্লির বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু করল বিজেপি। এদিন সূচনা সমাবেশে দাঁড়িয়ে মোদী বলেন, “এত সরকারি প্রকল্প। এত মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন। আরও মানুষের কাছে সেই সুবিধা পৌঁছে দিতে আমাদের সরকার কাজ করছে। না কারও থেকে জাত জানতে চেয়েছি। না ধর্ম। তাহলে কেন আমার নামে মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে!”
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে তোলপাড় করা আন্দোলন চলছে দেশে। আন্দোলনকারীদের অধিকাংশেরই বক্তব্য, নাগরিকত্ব কারতে চাইছেন মোদী। এবং তা ধর্মের ভিত্তিতে। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েকমাস আগেই তো দিল্লির ১৭০০ কলোনির কয়েলক লক্ষ মানুষকে তাঁদের বাসস্থানের আইনি স্বীকৃতি দিয়েছি। তখন কি ধর্ম দেখে দিয়েছি? আর একদল বলছে আমি নাকি নাগরিকত্ব কাড়তে চাইছি। দিল্লির মানুষ আপনারাই বলুন, কলোনিগুলির আইনি স্বীকৃতি দিয়েছি কি দিইনি?”
আন্দোলনের নামে রাজ্যে রাজ্যে যে হিংসা চলছে তার বিরুদ্ধে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মোদী বলেন, “বিরোধীরা সব জায়গায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনছে। আমার কুশপুতুল পোড়ানো হচ্ছে। আমার কুশপুতুল পোড়ানো হলে কোনও সমস্যা নেই। যত ইচ্ছা আমার কুশপুতুল পোড়ান। যত ইচ্ছা জুতো মারুন। কিন্তু দেশের সম্পত্তি নষ্ট করবেন না। দেশের গরিব অটোওয়ালার অটো জ্বালিয়ে দেবেন না। দোকান পুড়িয়ে দেবেন না।”