ওমিক্রন ঠেকাবে ন্যানোপার্টিকল মাস্ক, পরিবেশবান্ধবও, বানালেন ভারতের বিজ্ঞানীরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন্যানোপার্টিকল দিয়ে তৈরি মাস্কের প্রতিটি স্তর অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদানে তৈরি। বাইরে থেকে শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢোকা জীবাণু নিমেষে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে এই মাস্ক।
ওমিক্রন নিয়ে দেশজুড়েই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিনে এই
শেষ আপডেট: 4 February 2022 13:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন্যানোপার্টিকল দিয়ে তৈরি মাস্কের প্রতিটি স্তর অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদানে তৈরি। বাইরে থেকে শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢোকা জীবাণু নিমেষে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে এই মাস্ক।
ওমিক্রন নিয়ে দেশজুড়েই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিনে এই ভাইরাস ঠেকানো যাবে কিনা সে কিনা প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই আবার ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন এই মাস্ক ওমিক্রন বা এর মতো কোভিডের যে কোনও সংক্রামক প্রজাতিকে ঠেকাতে পারবে। মাস্কের লেয়ার জীবাণু নাশ করতে পারবে।
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ সেন্টার ফর পাউডার মেটালার্জি-র গবেষকরা এই মাস্ক তৈরি করেছেন। ন্যানোপার্টিকল দিয়ে তৈরি এই মাস্ক অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও পরিবেশবান্ধব। সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি (সিএসআইআর-সিসিএমবি)-র প্রকল্পের আওতায় এই মাস্ক তৈরি হয়েছে।

ন্যানোপ্রযুক্তিতে বানানো এই মাস্ক হাওয়ায় ভেসে আসা জীবাণু নষ্ট করবে। মাস্ক শুধু নয় পিপিই তৈরিতেও এমন উপাদান ব্যবহার করছেন গবেষকরা। রোনা ঠেকাতে এতদিন ফেস-মাস্ক নানাভাবে তৈরি হয়েছে। কোথাও আয়ুর্বেদিক উপাদানে তৈরি হয়েছে মাস্ক আবার কোথাও পর পর স্তরে ডবল ফিল্টার বসিয়ে মাস্ক বানিয়েছেন গবেষকরা। ন্যানোপ্রযুক্তিতে মাস্ক তৈরি এই প্রথম।
বিজ্ঞানীরা এমনিতেও বলছেন করোনা এয়ারবোর্ন। মানুষের নাক-মুখ থেকে বের হওয়া বড় বড় জলকণা বা ড্রপলেটের বদলে হাওয়ার ছোট ছোট কণা বা অ্যারোসলে ভেসে খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়তে পারে। অ্যারোসল বাহিত ভাইরাসের কণার আকার এতটাই ছোট হয় যে সহজেই নাক বা মুখ দিয়ে শরীরে ঢুকে পড়তে পারে। তাই মাস্কের ফিল্টারে মলিবডিনাম সালফাইডের এমন স্তর বিছিয়ে দিয়েছেন গবেষকরা যা যেকোনও সূক্ষ কণাকে নষ্ট করে দিতে পারে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'