দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিনমজুরদের পাশে দাঁড়ালেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। রাজ্যের বস্তি এলাকায় গিয়ে ১০ লক্ষ প্যাকেট খাবার বিতরণ করা হবে বলে তিনি বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশজোড়া লকডাউনের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দিনমজুররা।
পঞ্জাবের রাজ্য সরকার জানিয়েছে যে প্রতিটি খাবারের প্যাকেটে থাকছে ১০ কেজি করে আটা, ২ কেজি করে ডাল ও ২ কেজি করে চিনি। বিভিন্ন বস্তিতে এবং যেখানে একসঙ্গে অনেক জন দিনমজুর বসবাস করেন সেইসব এলাকায় এই প্যাকেটগুলি বিতরণ করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে ডেপুটি কমিশনারদের অফিসেও এই প্যাকেট রাখা থাকবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবর বিতরণ করার সময় যাঁরা বাদ পড়ে যাবেন তাঁরা নির্দিষ্ট হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে সংশ্লিষ্ট ডেপুটি কমিশনারের অফিস থেকে খাবারের প্যাকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়েছেন অমরিন্দর সিং। তিনি মনে করেন যে এই প্যাকেজের ফলে সমাজের বহু মানুষ উপকৃত হবেন। তবে একই সঙ্গে তিনি জানান যে দুর্ভাগ্যবশত দিনমজুরদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কোনও সাহায্য ঘোষণা করেনি।
আগে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীকে ভিডিও কনফারেন্সের সময় পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং জানিয়েছিলেন যে গরিবদের জন্য সর্বতো ভাবে সাহায্য করছে তাঁর সরকার। কংগ্রেসশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন সনিয়া গান্ধী। লকডাউনের মধ্যে কোন রাজ্যের সরকার কী করছে তা তিনি জানতে চান।
অমরিন্দর সিং এদিন জানান যে জরুরি জিনিসের সরবরাহ যাতে বজায় থাকে তা নিশ্চিত করছে পঞ্জাব সরকার। হোম ডেলিভারি যাতে বজায় থাকে সেদিকেও সরকার পুরোমাত্রায় নজর রেখেছে। প্রত্যেক জেলায় যাতে সরবরাহ ঠিক থাকে সেজন্য তিনি প্রশাসন ও পুলিশকে আলাদা ভাবে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে যাবে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সব অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহের জন্য ইতিমধ্যেই পঞ্জাব পুলিশ ই-পাস চালু করেছে বলেও তিনি জানিয়ছেন।