দ্য ওয়াল ব্যুরো: যৌন হেনস্থা হলে কী কী করা উচিত তাই নিয়ে ক্লাস চলছিল স্কুলে। আচমকাই ডুকরে কেঁদে ওঠে এক পড়ুয়া। চমকে যান শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কী হয়েছে জানতে চাওয়ায় কিশোরী বলে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে সে। এরপর ওই কিশোরীর অভিযোগ এবং বয়ান অনুসারে গুজরাতের ভদোদরা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই কিশোরীর অভিযোগ সে একা নয়, ওই ব্যক্তির শিকার হয়েছে আরও ২ জন।
ভদোদরার ডিসিপি লখধীরসিং জালা জানিয়েছেন, স্কুলে বাচ্চাদের 'গুড টাচ' এবং 'ব্যাড টাচ' সম্পর্কে শেখানো হচ্ছিল। সেক্স এডুকেশনের ক্লাস চলাকালীন হঠাৎই ওই বাচ্চাটি কেঁদে ওঠে। তার চোখেমুখে ভয়ের ছাপ ছিল স্পষ্ট। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনেক বুঝিয়ে তারপর জানতে পারেন যে ওই কিশোরী যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছে। এরপরে স্কুলের তরফেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে ধৃতের নাম রজনীকান্ত মাহতো। পুলিশের দাবি, জেরায় অপরাধ কবুল করেছে সে। পুলিশকে সে জানিয়েছে মোট তিনজন কিশোরীর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করেছে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে চকোলেট, মিষ্টি এসব দেওয়ার নাম করে বাচ্চাদের ভুলিয়ে চালিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যেত অভিযুক্ত রজনীকান্ত। তারপর চলত যৌন অত্যাচার।
মূলত এই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওই তিন কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির উপযুক্ত ধারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। আর কারও সঙ্গে অভিযুক্ত এ হেন আচরণ করেছে কিনা তা জানতে রজনীকান্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এই ঘটনায় এই অভিযুক্ত ছাড়া আর কেউ জড়িত কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।