দ্য ওয়াল ব্যুরো : আইএসআইকে ব্রহ্মস মিসাইল সম্বন্ধে তথ্য পাচারের দায়ে গ্রেফতার হয়েছেন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও ) কর্মী নিশান্ত আগরওয়াল। তাঁকে জেরা করে উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। জানা গেছে ভারতে বসেই পাকিস্তানের আইডি ব্যবহার করে ফেসবুকে চ্যাট করতেন নিশান্ত।
নিশান্ত আগরওয়ালকে গ্রেফতার করার পর তাঁকে জেরা করছেন উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি-টেরর স্কোয়াডের অফিসাররা। উত্তরপ্রদেশ এটিএস'এর ইনস্পেক্টর জেনারেল অসীম অরুন জানিয়েছেন, নিশান্ত আগরওয়ালের ব্যক্তিগত কম্পিউটার ঘেঁটে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে ভারতে বসেই পাক আইডি ব্যবহার করে ফেসবুকে বিভিন্ন দেশের লোকেদের সঙ্গে কথা বলতেন নিশান্ত।
ব্রহ্মস এই মুহূর্তে ভারতের কাছে থাকা অন্যতম শক্তিশালী মিসাইল। এর মাধ্যমে ৩০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত জাহাজ, কিংবা মাটির উপর থাকা যে কোনও নিশানায় আঘাত হানা যায়। ডিআরডিও ও রাশিয়ার এনপিওএম'এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয় এই মিসাইল। ২০০১ ও ২০০২ সালে এই মিসাইলের ক্ষমতা পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে। ভারতের কাছে থাকা এই শক্তিশালী অস্ত্র সম্পর্কেই পড়শি দেশ পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে চার বছর ধরে তথ্য পাচার করত নিশান্ত, এমনটাই জানা গেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই নাগপুর থেকে নিশান্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি টেরোরিস্ট স্কোয়াডের যৌথ উদ্যোগে ধরা পড়েছেন এই গুপ্তচর।
পুলিশের অনুমান, ব্রহ্মস মিসাইলের তথ্য ছাড়াও আরও বেশ কিছু তথ্য নিশান্ত পাচার করেছেন পাকিস্তানে। কিন্তু সেগুলি ঠিক কী তা এখনও জানা যায়নি। পাক প্রদেশে কী কী তথ্য পাচার করেছেন এই যুবক তা জানার জন্য নিশান্তকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তাঁর ফোন ও ল্যাপটপ থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে তথ্য। ধীরে ধীরে আরও অনেক বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেই ধারণা তদন্তকারী অফিসারদের।