পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগে পুলিশের জালে এ বার বিএসএফ জওয়ান
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের গোপন নথি পাচার পাকিস্তানে। সন্দেহের তির আবারও দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের দিকেই। এ বার গ্রেফতার এক বিএসএফ জওয়ান।
পাঞ্জাবের ফিরোজপুর থেকে পুলিশের জালে পাকড়াও এক বিএসএফ জওয়ান। ভারতের সুরক্ষা সংক্রান্ত গোপন নথি পাচারের অভিযোগ
শেষ আপডেট: 4 November 2018 10:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের গোপন নথি পাচার পাকিস্তানে। সন্দেহের তির আবারও দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের দিকেই। এ বার গ্রেফতার এক বিএসএফ জওয়ান।
পাঞ্জাবের ফিরোজপুর থেকে পুলিশের জালে পাকড়াও এক বিএসএফ জওয়ান। ভারতের সুরক্ষা সংক্রান্ত গোপন নথি পাচারের অভিযোগে এই জওয়ানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটক জওয়ানের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দু’টি মোবাইল ফোন এবং সাতটি সিম কার্ড। পুলিশ জানিয়েছে, পাকিস্তানের ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভ মির্জা ফয়জলের কাছে ভারতের গোপন নথি পাচার করতেন এই বিএসএফ জওয়ান। জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৮০ এবং অফিসিয়াল সিকরেট অ্যাক্ট ১৯২৩ ধারায় মাওলা রুজু হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে।
বিএসএফ-এর ২৯ নম্বর ব্যাটেলিয়নের ডেপুটি কম্যান্ডর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গ্রেফতার হওয়া জওয়ানের বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগ হাতে পাওয়ার পরেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে বিএসএফ জওয়ান রিয়াজউদ্দিন আলিয়াস রিয়াজকে। মহারাষ্ট্রের লাতুরের বাসিন্দা এই রিয়াজউদ্দিন। পুলিশ জানিয়েছে, নথি পাচারের জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যম যেমন ফেসবুক, মেসেঞ্জার ইত্যাদি ব্যবহার করত রিউয়াজউদ্দিন। ইতিমধ্যেই রিয়াজকে জেরা করা শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসাররা। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন সেনা আধিকারিকদের ফোন নম্বর, রাস্তার নকশা, সীমান্তের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য পাচার পাকিস্তানে পাচার করেছেন অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ান রিয়াজ।
কিছুদিন আগেই ব্রহ্মস মিসাইলের তথ্য আইএসআইয়ের হাতে পাচার করার অভিযোগে নাগপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ডিআরডিও কর্মী নিশান্ত আগরওয়ালকে। তারপরেই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় সেনার এক জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। সেনা সূত্রে খবর, ওই জওয়ানকে মেরঠ ক্যান্টনমেন্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত জওয়ানের পরিচয় প্রকাশ্যে না আনলেও জানা গিয়েছিল আর্মি সিগন্যাল রেজিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এই ধরণের ঘটনা সামনে আসার পর রীতিমতো চিন্তিত সেনার উচ্চপদস্থ কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, এ ভাবে সেনাবাহিনীতে গুপ্তচর বাড়তে থাকলে তা দেশের পক্ষে ক্ষতিকর। এই পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন তাঁরা।