দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুপুরবেলা ব্রিটেনের হাইকমিশন সূত্রে জানা গিয়েছিল, ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লার কুচকাওয়াজে উপস্থিত থাকবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
কিন্তু সন্ধে হতেই পরিস্থিতি বদলে গেল। জানা গিয়েছে কোভিডের নতুন স্ট্রেনের কারণেই টেন ডাউনিং স্ট্রিট থেকে নয়াদিল্লিকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যাবেন না। এরজন্য নাকি মঙ্গলবার বরিস জনসনের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
ভারতীয় সময় সোমবার রাত থেকে করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেনের জন্য নতুন করে লকডাউন শুরু হয়েছে। সেই লকডাউন কবে উঠবে ঠিক নেই। সেই কারণেই বরিস ভারতে আসতে পারবেন না।
১৯৯৩ সালে ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জন মেজর। এর প্রায় তিন দশক পরে ফের কোনও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হয়ে আসার কথা ছিল। মোদী আগেই বলেছিলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে একজোট হয়ে কাজ করবে দুই দেশ। করোনা মহামারী শুধু নয় আগামী দিনে প্রতিরক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, জলবায়ু বদল ইত্যাদি নানা বিষয়ে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশেরই।
কোভিডের নতুন স্ট্রেনের সংক্রমণ শুরু হতেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় ভারত। তবে এখন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৮ জানুয়ারি থেকে বিমান পরিষেব আবার চালু হবে। তবে সাতদিনে দুই দেশের মধ্যে ১৫টির বেশি বিমান চলাচল করতে পারবে না। দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ বিমানবন্দরেই আংশিকভাবে চালু হবে এই পরিষেবা।