Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহের

১ অগস্টেও চালু হল না ১০০ দিনের কাজ! হাইকোর্টে যাচ্ছে খেতমজুররা, 'কাজ দাও, না হলে ভাতা'

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই কেন্দ্র ১০০ দিনের প্রকল্পে বাংলাকে টাকা দেওয়া বন্ধ করেছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বকেয়া মজুরির দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার শ্রমিকরা দিল্লিতে গিয়ে ধর্না অবস্থানও করেছেন। পরে রাজ্যের তরফে শ্রমিকদের সেই বকেয়া মজুরি মেটানোও হয়েছে। 

১ অগস্টেও চালু হল না ১০০ দিনের কাজ! হাইকোর্টে যাচ্ছে খেতমজুররা, 'কাজ দাও, না হলে ভাতা'

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 2 August 2025 13:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ ছিল, ১ অগস্ট থেকে রাজ্যে ফের চালু করতে হবে ১০০ দিনের কাজ (Mgnrega, 1st August)। কিন্তু বাস্তবে কার্যত এক পা-ও এগোয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্প (Central Govt Skim)। গরিব-খেটে খাওয়া মানুষজন কাজের খোঁজে ৪(ক) ফর্ম জমা দিতে গিয়েও অনেক জেলায় অপমান আর বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এমনই যে, মামলাকারী সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ খেতমজুর সমিতি ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে সোমবার।

সূত্রের খবর, এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ অগস্ট। তবে তার আগেই রাজ্যের হাইকোর্টে ‘মেনশন’ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী পূর্বায়ন চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও রাজ্যবাসী কাজ পাচ্ছে না। আমরা সোমবার ফের আদালতের শরণাপন্ন হব।’

বর্তমানে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয় ‘এসএনএস স্পর্শ’ নামে একটি প্রযুক্তির মাধ্যমে। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার সেই অর্থ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মাধ্যমে রাজ্যের হাতে তোলে। কিন্তু অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত সেই অর্থ রাজ্যে এসে পৌঁছয়নি। যদিও, রাজ্য সরকার ‘এসএনএস স্পর্শ’ পদ্ধতির প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েই রেখেছে।

এই অবস্থায়, রাজ্য জুড়ে শুক্রবার ৪(ক) ফর্ম জমা দিতে বহু মানুষ মিছিলে অংশ নেন। কিন্তু একাধিক জেলায় সেই ফর্ম গ্রহণই করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর-সহ বেশ কয়েকটি জেলা থেকে এসেছে একই অভিযোগ—‘অনুমতি নেই’ এই যুক্তিতে কাজের আবেদন ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

খেতমজুরদের আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়ন-এর রাজ্য সভাপতি তুষার ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এবার লড়াই হবে মাঠে-ময়দানে। কেন্দ্রকে স্পষ্ট করে বলতে হবে, কাজ না দিলে ভাতা দিতে হবে। না-হলে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব আমরা।’

একইসঙ্গে কড়া সুরে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ খেতমজুর সমিতি-র সম্পাদক সন্দীপ সিংহ। তিনি বলেন, ‘রাজ্যের বহু ব্লকে এখনও কাজের আবেদনই জমা নিচ্ছে না প্রশাসন। এটা আদালতের নির্দেশনার অবমাননা। কেন্দ্রীয় সরকারও নীরব। আমরা আইনি পথে এর শেষ দেখে ছাড়ব।’

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই কেন্দ্র ১০০ দিনের প্রকল্পে বাংলাকে টাকা দেওয়া বন্ধ করেছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বকেয়া মজুরির দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার শ্রমিকরা দিল্লিতে গিয়ে ধর্না অবস্থানও করেছেন। পরে রাজ্যের তরফে শ্রমিকদের সেই বকেয়া মজুরি মেটানোও হয়েছে। 

এমনকী কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় একশো দিনের ধাঁচে রাজ্যে কর্মশ্রী প্রকল্পও চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছর এই প্রকল্পে রাজ্য ৫৮দিন কাজও দেয় শ্রমিকদের। এবারে সেই লক্ষ্যমাত্রা ৬৫ থেকে ৭০ দিন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে কেন্দ্রের অভিযোগ, বিস্তর দুর্নীতির কারণেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ করা হয়েছে। যদিও আদালতের কাছে এই যুক্তি টেকেনি। এরপরই ১ অগস্ট থেকে বাংলায় ১০০ দিনের প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। হাইকোর্টের তরফে কেন্দ্রকে এও বলা হয়েছিল, প্রয়োজনে শর্ত আরোপ করুন, কিন্তু এভাবে গরিব মানুষের কাজ আটকে রাখা যাবে না। কিন্তু কেন্দ্র এখনও রাজ্যকে টাকা না পাঠানোয় ফের কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন খেতমজুররা।


```