Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

'আর কত মৃত্যু দেখলে কমিশনের হুঁশ ফিরবে?', কৃষ্ণনগরে বিএলও-র আত্মহত্যার ঘটনায় প্রশ্ন মমতার

কৃষ্ণনগরের বিএলও-র মৃত্যুতে (BLO Death) কমিশনকে প্রশ্ন রাখলেন রাজ্যের (West Bengal SIR) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

'আর কত মৃত্যু দেখলে কমিশনের হুঁশ ফিরবে?', কৃষ্ণনগরে বিএলও-র আত্মহত্যার ঘটনায় প্রশ্ন মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 22 November 2025 15:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: "আর কত জীবন যাবে? এই এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার জন্য আরও কতকে মরতে হবে? কত মৃতদেহ দেখলে কমিশনের (Election Commission) হুঁশ হবে? বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।” কৃষ্ণনগরের বিএলও-র মৃত্যুতে (BLO Death) কমিশনকে প্রশ্ন রাখলেন রাজ্যের (West Bengal SIR) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

রাজ্যে এসআইআর (SIR) পর্ব চলতে চলতেই খবর আসে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) আত্মঘাতী হয়েছেন এক মহিলা প্যারা-শিক্ষিকা, চাপড়া (Chapra Assembly) বিধানসভার ৮২ নম্বর আসনের ২০১ নম্বর বুথের BLO রিঙ্কু তরফদার। শুক্রবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে। আত্মহত্যার (BLO Suicide) আগে তিনি একটি চিঠি রেখে গিয়েছেন, যেখানে নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাজের চাপ এবং পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন তিনি।

পরিবার সূত্রে খবর, গত কয়েক দিন ধরে বিএলও–র দায়িত্ব পালন নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন রিঙ্কু। এদিন তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া চিঠিতে কমিশনকে দায়ী করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ (Police)।

এহেন ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী (CM) লিখেছেন, “একজন মহিলা প্যারা-শিক্ষিকার (Teacher) এমন মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। পরপর বিএলও মারা যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের জীবনরক্ষা করা।”

পার্শ্বশিক্ষক হিসেবে কর্মরত এই মহিলাকে সম্প্রতি বিএলও-র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরিবার সূত্রে খবর, কম্পিউটারে তেমন দক্ষ না হওয়ায় শুরু থেকেই তিনি গভীর মানসিক চাপে ছিলেন। প্রশাসনিক চাহিদা, কাজের টার্গেট পূরণের চাপ এবং কোনও ভুল হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আতঙ্ক— সব মিলিয়েই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন রিঙ্কু। শেষ পর্যন্ত বাড়ির এক ঘর থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ।

ভোটের কাজে যুক্ত সরকারি ও অস্থায়ী কর্মীদের নিরাপত্তা, চাপ কমানো এবং মনস্তাত্ত্বিক সুরক্ষার বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক মহলে।

প্রসঙ্গত, বিএলও-দের চাপের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল বলেছিলেন, “নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে, ফলে চাপ তো একটু আছেই। কিন্তু পাশের রাজ্য বিহারেও তো এসআইআর হয়েছে। আমরা পারব না, এমন নয়।” তিনি আরও জানান, বুথে সর্বোচ্চ ভোটারসংখ্যা ১২০০ হলেও অধিকাংশ বুথেই গড় ভোটারসংখ্যা প্রায় ৮০০। ফলে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে।


```