Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
Basic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”'আইপিএলের বাতিল ক্রিকেটাররাই পিএসএলে আসে!’ বোমা ফাটালেন খোদ পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকাহরমুজ বাধা টপকে গুজরাতে ভারতীয় জাহাজ! ট্রাম্পের অবরোধের মাঝেই স্বস্তি ফেরাল ‘জাগ বিক্রম’

Mahakumbh Stampede: ডেথ সার্টিফিকেটের বদলে চিরকুটে মৃতদেহ নিতে বাধ্য করার অভিযোগ

কিন্তু আসলে কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে।

Mahakumbh Stampede: ডেথ সার্টিফিকেটের বদলে চিরকুটে মৃতদেহ নিতে বাধ্য করার অভিযোগ

ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 31 January 2025 11:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি হিসেবে কুম্ভমেলায় মৃতের সংখ্যা ৩০ জন।  মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য হিসাবে ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

কিন্তু আসলে কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। তার ওপর মৃতের পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট-পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট না দিয়ে জোর করে চিরকুটে সই করে মৃতদেহ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই সূত্রেই এই প্রশ্নও সামনে আসছে, সরকারিভাবে ডেথ সার্টিফিকেটের কোনও কাগজই যদি না থাকে তাহলে কীভাবে ক্ষতিপূরণের টাকার জন্য আবেদন করবেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা? গোটা ঘটনায় যোগী রাজ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন সামনে আসছে।

কুম্ভমেলায় মৌনি অমাবস্যায় পদপিষ্ট হয়ে মৃত ৩০ জনের তালিকায় রয়েছেন বাংলার তিন বাসিন্দা- কলকাতার বিজয়গড়ের বাসিন্দা বাসন্তী পোদ্দার (৬৫), পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীর উর্মিলা ভুইয়াঁ (৭৮) এবং পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার কেন্দার বিনোদ রুইদাস (৪১)। তিনটি পরিবারেরই অভিযোগ, পোস্টমর্টেম এবং ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়াই মৃতদেহ নিতে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকী সাদা কাগজের চিরকুটে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে, 'প্রিয়জনের মৃতদেহ পেলাম!'

মৃত্যুর কারণ বা ঘটনাস্থলের কোনও উল্লেখও নেই সেই চিরকুটে। এমনকী সরকারি কোনও স্ট্যাম্পও নেই। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সেই রাতে পদপিষ্ট মৃত্যুর সংখ্যা তাহলে অনেক বেশি। তা না হলে কেন মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে সরকারিভাবে ডেথ সার্টিফিকেট দিচ্ছে না। সেই সূত্রেই মৃতদেহর প্রকৃত সংখ্যা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসছে।

এদিকে বাংলার আরও ৭ জন এখনও নিখোঁজ। তাঁরা কোথায়, কীভাবে রয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির অভিযোগ, যোগী রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে যথাযথ সহায়তা মিলছে না।


```