
শেষ আপডেট: 5 August 2020 18:30
এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন আকারে বড়, ওজনেও ভারী। চালকহীন কমব্যাট এরিয়াল ভেহিকল। এতে রয়েছে ৭১২ কিলোওয়াটের টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন। নিজের ওজনের থেকে ১৫ গুণ বেশি ওজন বইতে পারে রিপার ড্রোন। গতি ঘণ্টায় ৪১০ কিলোমিটার। প্রায় ১৭৪৬ কিলোগ্রাম ওজনের পে-লোড বইতে পারে প্রিডেটর-বি। ভূমি থেকে ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় টানা ৩০ ঘণ্টা উড়তে পারে এই ঘাতক ড্রোন।
রাতেও ক্ষিপ্র গতিতে উড়তে পারে প্রিডেটর-বি। ইলেকট্রো-অপটিকাল ও ইনফ্রারেড দুটি ভার্সনই আছে এই ড্রোনের, মাল্টি-মোড রাডার সিস্টেম, ইলেকট্রনিক সাপোর্ট মেজারস সিস্টেম রয়েছে। এই ড্রোন থেকে হেল-ফায়ার মিসাইল ছোড়া যায়। ৫০০ পাউন্ড ওজনের দুটি লেজার-গাইডেড বোমাও নিক্ষেপ করা যায় প্রিডেটর-বি থেকে।
[caption id="attachment_247484" align="aligncenter" width="650"]
হেরন ড্রোন[/caption]
আমেরিকার থেকে প্রিডেটর ড্রোন ছাড়াও ইজরায়েলের থেকে হেরন ড্রোন কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে ভারতের। ‘আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল’ (ইউএভি) হেরন টিপি (Eitan)ড্রোনে অস্ত্র ভরার ব্যবস্থা আছে। দূরপাল্লার এই ড্রোন দিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে অনায়াসেই টার্গেট করা যাবে। হেরন টিপি ড্রোনের নির্মাতা সংস্থা ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০০৫ সাল থেকেই ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে এই সশস্ত্র ড্রোন।
১৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ড্রোন হাই-উইং ক্যান্টিলিভার মোনোপ্লেনের ডিজাইনে তৈরি। এর দুটো ডানার বিস্তৃতি প্রায় ২৬ মিটারের কাছাকাছি। হাজার কিলোগ্রামের বেশি ওজন বইতে পারে এই ড্রোন। এতে রয়েছে ইলেকট্রো-অপটিক্যাল টার্গেট সিস্টেম। রাতের বেলাতেও কাজ করতে পারে এই ড্রোন। এর বিশেষ ক্যামেরা যে কোনও আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে যে কোনও সময় শত্রু ঘাঁটির ছবি তুলে আনতে পারে। এতে রয়েছে ইলেকট্রনিক সাপোর্ট মেসারস (ESM), ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনটেলিজেন্স (ELINT) এবং সিন্থেটিক অ্যাপার্চার রাডার (SAR)। উন্নতি প্রযুক্তির এই সশস্ত্র ড্রোন যুদ্ধক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।