Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণভোটের মুখে হুগলিতে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি! ক্ষুব্ধ স্মৃতি ইরানি মাঝপথেই ছাড়লেন শোভাযাত্রা‘ইলিশ এনে দিন, আমি বেছে খাইয়ে দিচ্ছি’, তৃণমূলের মাছ-মাংস বন্ধের অভিযোগের পাল্টা স্মৃতির ‘আশা করি আগের বছরের মতো হবে না’, নববর্ষে আবারও আশায় বুক বাঁধলেন শাশ্বতআমেরিকার অবরোধ তুলতে বিকল্প পথে হাঁটছে ইরান, হরমুজ ছাড়া অন্য রাস্তায় জাহাজ চালানোর চেষ্টা?আরব দুনিয়ায় অশান্তির মেঘ সরছে? আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সবুজ সঙ্কেত, ‘নীতিগত’ সায় দুপক্ষের

জঞ্জালে ঢাকা শহর, বেতন না পেয়ে এবার জল ও আলো বন্ধের হুঁশিয়ারি চুঁচুড়া পুরসভার কর্মীদের 

দু'মাসের বেতন হয়নি। ১৯ দিন ধরে আন্দোলন করছেন চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। এবার বেতন না মিললে জল ও আলোর মতো জরুরি পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা।

জঞ্জালে ঢাকা শহর, বেতন না পেয়ে এবার জল ও আলো বন্ধের হুঁশিয়ারি চুঁচুড়া পুরসভার কর্মীদের 

পুরসভার সামনে আন্দোলনরত শ্রমিকরা

শেষ আপডেট: 19 December 2024 16:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: শনিবার শেষ হচ্ছে ডেডলাইন। তারপরই জল আলো বন্ধ হবে শহরে। হুঁশিয়ারি দিল চুঁচুড়ার পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। বৃহস্পতিবার পুরসভার গেটের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। দু-মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না শ্রমিক কর্মচারীরা, তাই পুরসভার বিরুদ্ধে চলছে আন্দোলন।

দু'মাসের বেতন হয়নি। ১৯ দিন ধরে আন্দোলন করছেন চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। শহর পরিচ্ছন্ন রাখেন যারা সেই সাফাই কর্মীরা কাজ বন্ধ রাখায় জঞ্জালে ভরেছে শহর। আলোচনা বৈঠক করেও কোনও রফা সূত্র বের হয়নি। বেতন কবে হবে বলতে পারেনি পুর প্রশাসন। তাই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন আন্দোলনকারীরা। এবার বেতন না মিললে জল ও আলোর মতো জরুরি পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন তাঁরা।

পুরসভার সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে হস্তক্ষেপ করার দাবি করেন কর্মীরা। অস্থায়ী কর্মীদের তরফে স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানান, কর্মীদের দু-মাসের বেতন দিতে ৩ কোটি টাকা দরকার। এদিকে পুরসভার বকেয়া ট্য়াক্সের পরিমাণ ১৩ কোটি টাকা। সাধারণ মানুষ নন, শহরের বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেই এই কর প্রাপ্য। সেই কর আদায়ে কোনও পদক্ষেপ করছে না পুরসভা। অথচ বেতন না পেয়ে তাঁদের সংসার অচল হয়েছে। 

এদিন পুরসভার সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন এক কর্মী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাথা ঘুরে পড়ে যান তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পুরসভার সিআইসি স্বাস্থ্য জয়দেব অধিকারী বলেন, "আমরা বিতশ্রদ্ধ,আট মাস আগে ফিনান্স অফিসার ও অর্থ দফতরের সিআইসি জানিয়েছিলেন পুরসভার আর্থিক অবস্থা খারাপ। কেউ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সবাই সব জানে।"


```