প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল, ‘অপ্রয়োজনীয়’ নিরাপত্তা মধ্যরাতের মধ্যে তুলে নিতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, এবার সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছে কমিশন।
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 3 April 2026 10:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্দেশ জারি হয়েছিল আগেই, এবার তার বাস্তবায়ন নিয়েই কড়া নজর রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (pre poll security measures west bengal)। দাগি বা অপরাধমূলক মামলায় জড়িত নেতাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ আদৌ মানা হয়েছে কি না, তা জানতে চাইল নির্বাচন কমিশন (EC security withdrawal tainted leaders)।
জামিন বা প্যারোলে জেলের বাইরে থাকা, কিংবা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত - এমন নেতাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার নিয়ে বিস্তারিত স্টেটাস রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসারের কাছে (ec seeks status report police)। কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দুপুর ১২টার মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল, ‘অপ্রয়োজনীয়’ নিরাপত্তা মধ্যরাতের মধ্যে তুলে নিতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, এবার সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছে কমিশন।
শুধু তাই নয়, যাঁরা বর্তমান পরিস্থিতিতে পদমর্যাদা বা হুমকির নিরিখে আর নিরাপত্তার দাবিদার নন, তাঁদের ক্ষেত্রেও সুরক্ষা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে আরও কড়া পদক্ষেপ হিসেবে, জামিনঅযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁদের গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।
এর আগে চলতি সপ্তাহেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি হয়েছিল। থানার ওসি বা এসএইচও-দের মাধ্যমে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে অশান্তিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করার কথা বলা হয়। পাশাপাশি, আগের নির্বাচনে অপরাধে জড়িত ‘দুষ্কৃতী’দের তালিকা তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
বিধানসভা ভোটের আগে ধারাবাহিক এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক কড়াকড়ি বাড়ছে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।