Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

দাগি নেতারা কি এখনও নিরাপত্তা পাচ্ছেন? দুপুর ১২টার মধ্যেই পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল কমিশন

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল, ‘অপ্রয়োজনীয়’ নিরাপত্তা মধ্যরাতের মধ্যে তুলে নিতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, এবার সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছে কমিশন।

দাগি নেতারা কি এখনও নিরাপত্তা পাচ্ছেন? দুপুর ১২টার মধ্যেই পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল কমিশন

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 3 April 2026 10:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্দেশ জারি হয়েছিল আগেই, এবার তার বাস্তবায়ন নিয়েই কড়া নজর রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (pre poll security measures west bengal)। দাগি বা অপরাধমূলক মামলায় জড়িত নেতাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ আদৌ মানা হয়েছে কি না, তা জানতে চাইল নির্বাচন কমিশন (EC security withdrawal tainted leaders)।

জামিন বা প্যারোলে জেলের বাইরে থাকা, কিংবা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত - এমন নেতাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার নিয়ে বিস্তারিত স্টেটাস রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসারের কাছে (ec seeks status report police)। কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দুপুর ১২টার মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল, ‘অপ্রয়োজনীয়’ নিরাপত্তা মধ্যরাতের মধ্যে তুলে নিতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, এবার সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছে কমিশন।

শুধু তাই নয়, যাঁরা বর্তমান পরিস্থিতিতে পদমর্যাদা বা হুমকির নিরিখে আর নিরাপত্তার দাবিদার নন, তাঁদের ক্ষেত্রেও সুরক্ষা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে আরও কড়া পদক্ষেপ হিসেবে, জামিনঅযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁদের গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।

এর আগে চলতি সপ্তাহেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি হয়েছিল। থানার ওসি বা এসএইচও-দের মাধ্যমে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে অশান্তিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করার কথা বলা হয়। পাশাপাশি, আগের নির্বাচনে অপরাধে জড়িত ‘দুষ্কৃতী’দের তালিকা তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

বিধানসভা ভোটের আগে ধারাবাহিক এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক কড়াকড়ি বাড়ছে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


```