Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ

প্রধানমন্ত্রীকে বড় ভাইয়ের পরামর্শ, ‘এত খাটছো, একটু বিশ্রাম নাও, আরাম করো’

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) আজ সোমবার গুজরাত বিধানসভার নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। রবিবার রাতে আমদাবাদ পৌঁছন তিনি। রাতেই গান্ধীনগরে গিয়ে মা হীরাবেনের সঙ্গে দেখা করে তাঁর আশীর্বাদ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই ছিলে

প্রধানমন্ত্রীকে বড় ভাইয়ের পরামর্শ, ‘এত খাটছো, একটু বিশ্রাম নাও, আরাম করো’

শেষ আপডেট: 5 December 2022 08:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) আজ সোমবার গুজরাত বিধানসভার নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। রবিবার রাতে আমদাবাদ পৌঁছন তিনি। রাতেই গান্ধীনগরে গিয়ে মা হীরাবেনের সঙ্গে দেখা করে তাঁর আশীর্বাদ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দাদা (elder brother) সোমাভাই। মোদী দাদাকেও পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন, আশীর্বাদ নেন।

মায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যেই দেখা করেন। তুলনায় দাদার সঙ্গে দেখা হয় কম। অনেক দিন পর গতকাল দুই ভাইয়ের দেখা হয়। সোমাভাই ছোট ভাইকে বলেন, ‘তুমি বড্ড খাটাখাটুনি করছ। মাঝেমধ্যে বিশ্রাম নাও, একটু আরাম করো।’

প্রধানমন্ত্রী যে বড্ড দৌড়ঝাঁপ করছেন তা নিয়ে দলেও কথা হয়েছে নানা সময়ে। গুজরাত বিধানসভার ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রীর ঝাঁপিয়ে পড়া নিয়ে বিরোধীরা আবার রাজনীতির অঙ্ক জুড়ে খোঁচাও দিয়েছে। কংগ্রেস এবং আপ বলেছে, নিজের রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত এজেন্ডা করেননি। সরকারি কাজ ফেলে প্রায়ই তিনি গুজরাতে কাটিয়েছেন গত ন’মাস।

গত ১১ মার্চ থেকে গুজরাতে বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকে কোনও মাস বাদ যায়নি। শনি, রবিবার গুজরাতে সরকারি কর্মসূচির সঙ্গেই ছিল দলের সভা-সমাবেশ। কখনও আবার রোড শো। গত পরশু গুজরাতে বিধানসভার দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারের শেষদিনও ছিল প্রধানমন্ত্রীর রোড শো।

এরই ফাঁকে একাধিকবার বিদেশ সফরে গিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ায় জি-২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সম্মেলনে একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একাধিক রাজ্য সফর এবং গুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধনেও সময় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আবার গুজরাতে ভোট ঘোষণার পর এক দিনে চারটি সভাও করেছেন রাজ্যের নানাপ্রান্তে। অক্টোবর-নভেম্বরের অনেকটা সময় ব্যস্ত থেকেছেন হিমাচলপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের প্রচারে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগই আসেনি। সেই কারণেই ভাইকে কাছে পেয়ে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর দাদা বলেছেন, বিশ্রাম নাও, আরাম করো। আজ সাংবাদিকদের কাছে ভাইয়ের সঙ্গে কথোপকথনের কথা বলতে গিয়ে খানিক আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন এই প্রবীণ।

এসএসকেএমে ভাঙচুর: রাতে সিনিয়র ডাক্তার থাকতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর


```