
কোপা আমেরিকার মাঠ।
শেষ আপডেট: 4 July 2024 17:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোপা আমেরিকায় কেন ছোট মাঠে খেলা হচ্ছে, সেই নিয়ে সমানে আলোচনা হচ্ছে মেগা ইভেন্টে। বিভিন্ন দলের কোচরা এই নিয়ে সমালোচনাও শুরু করে দিয়েছেন।
এই টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল প্রথমে দক্ষিণ আমেরিকায়। কিন্তু ফুটবলের বিশ্বায়ণের কথা ভেবে খেলা হচ্ছে আমেরিকায়।
ছোট মাঠে খেলা নিয়ে বড় দলগুলোকে মাঝেমধ্যেই বিপত্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। কনমেবল নির্ধারিত সর্বনিম্ন সীমা ধরেই আমেরিকার মাঠে খেলা হচ্ছে। এর আগে মাঠের পরিকাঠামো, দর্শক খরা, টিকিটের দাম ইত্যাদি নিয়েও কম সমালোচনা হয়নি। মাঠ ছোট নিয়ে অনেকেই সমালোচনায় মুখর।
ব্রাজিল কোচ দোরিভাল জুনিয়র কোস্টারিকার বিপক্ষে ড্র করার পর বলেছিলেন, ‘‘আমি মাঠের মাপের দিকে সকলের দৃষ্টি দিতে বলব। এটার মানে হচ্ছে, ম্যাচগুলো খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। যে দলটি নিজেদের অর্ধের রক্ষণভাগ সামলাচ্ছিল, তারাই আবার প্রতি আক্রমণে দ্রুত প্রতিপক্ষের কাছে চলে যেতে পারছে।’’
মাঠ নিয়ে নিজের ক্ষোভের কথা জানান কলম্বিয়ার কোচ নেস্তোর লরেঞ্জো। তিনি বলেন, ‘‘মাঠটা অনেকটা সরু রাস্তার মতো। আপনি দেখবেন থ্রো করে বল ডি-বক্সের একদম ভেতরে ফেলছে প্রতিপক্ষ। এতে করে বলের সহজেই নাগাল পেয়ে যাচ্ছে দলের ফুটবলাররা।’’
কনমেবলই এত সরু মাঠে খেলার অনুমতি দিয়েছে। সাধারণত ফুটবলের মাঠগুলো ১০০ মিটার লম্বা ও ৬৪ মিটার চওড়া হয়। কিন্তু আমেরিকার ১৪টি মাঠের ১০টি মাঠের দৈর্ঘ্যই কম। এই স্টেডিয়ামগুলো লম্বায় ১০০ মিটার থাকলেও চওড়ায় এগুলো ৪৯ মিটার।
মাঠ ছোট হওয়ার কারণে দুই ধরণের দলগুলো সুবিধা আদায় করে নিচ্ছে। প্রথমত, যারা খুব ডিফেন্সিভ খেলছে। দ্বিতীয়ত, যারা চাপ সৃষ্টি করে খেলতে অভ্যস্ত। কারণ, সরু মাঠ হওয়াতে প্রতিপক্ষ কম জায়গা পায় বল নিয়ে দৌড়ানোর। অনেক ম্যাচে কর্নার থেকে নেওয়া কিক অনেক দূরে পড়তে দেখা গেছে।
তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের পরিস্থিতি হবে ভিন্ন। সেখানে ফিফার নিয়ম মেনেই ১০৫ মিটার লম্বা ও ৬৮ মিটার চওড়া মাঠ বানানোর নিয়ম রয়েছে।