দ্য ওয়াল ব্যুরো : ক্রিকেটার থাকাকালীন তিনি যেরকম আমুদে ছিলেন, অবসরের পরেও তিনি মাতিয়ে রাখেন সকলকে। ধারাভাষ্য দেওয়ার মুহূর্তে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ এমন সব অতীতের কথা টেনে আনেন, বাকি ধারাভাষ্যকাররা বিষয়টি বেশ মজার মতো করে নেন।
এহেন ভারতের প্রাক্তন বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান এবার বলেছেন চেন্নাই সুপার কিংস দলের ক্রিকেটারদের মানসিকতা নিয়ে। আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সফল দল, তিনবারের চ্যাম্পিয়ন এম এস ধোনির সিএসকে। এবার তারা একেবারে অচেনা মেজাজে যেন খেলছে।
একটি ম্যাচে দশ উইকেটে জয়ের পরে পরের ম্যাচেই বিশ্রী হেরেছে তারা। ৬ ম্যাচের মধ্যে ৪টিতেই হেরে প্লে-অফের পথ থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে ধোনির দল।
কেকেআরের ১৬৮ রানের লক্ষ্যও তাড়া করতে পারেনি চেন্নাইয়ের ব্যাটসম্যানরা। এই প্রসঙ্গে এক নামী ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বীরু বলেছেন, ‘‘চেন্নাইয়ের এই রান তুলে ফেলা উচিত ছিল। ওদের ব্যাটসম্যানদের দেখে মনে হচ্ছে সরকারী চাকুরে, যারা জানে ঠিক মাসের শেষে বেতন হাতে পেয়ে যাবে! না হলে রবীন্দ্র জাদেজা ও কেদার যাদব মিলে কতগুলো ডট বল খেলল, এই বিলাসিতা এই ধরনের ক্রিকেটে মানা যায় না।’’
চেন্নাইয়ের রান তাড়ায় সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন কেদার যাদব। তিনি যখন ক্রিজে আসেন ২১ বলে ৩৯ রান দরকার ছিল দলের। এমন পরিস্থিতিতে ১২ বলে মাত্র ৭ রান করে কেদার। এমনকি রিজার্ভ বেঞ্চে কেদারের যোগ্য বদলি থাকা সত্ত্বেও তাঁকে খেলিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি কোনও কাজেও আসছেন না।
সেই কারণেই সেহওয়াগ রসিকতা করে বলেছেন, ‘‘কেদার যাদব যেমন খেলেছে, তাতে তাকেই ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার দেওয়া দরকার ছিল।’’ চেন্নাইয়ের এই ব্যাটসম্যানকে দলের ‘অকাজের অলঙ্কার’ আখ্যা দিয়েছেন বীরু।
সবচেয়ে বড় বিষয়, যে দলটি আগের ম্যাচে দুই ওপেনারের দৌলতে দুরন্ত জয় পেল দশ উইকেটে। সেই দলের এমন হারে বাকিদের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ওয়াটসন ও রায়াডু ছাড়া দলের বাকিদের কী কাজ ছিল সেদিন, সেই নিয়েও কথা বলেছেন সেহওয়াগ। তাঁর মতে, ‘‘চেন্নাই যা খেলছে, তাতে প্লে অফে কীভাবে যাবে, আমার অন্তত জানা নেই।’’