দ্য ওয়াল ব্যুরো: খেলা তখন পৌঁছে গিয়েছে শেষ কোয়ার্টারে। মোহনবাগানের একের পর এক আক্রমণ আটকে দিচ্ছেন দীর্ঘদেহী ভিক্টরের নেতৃত্বে পাঠচক্রের ডিফেন্স। মোহন সমর্থকদের একটাই শঙ্কা, প্রথম ম্যাচেই না আটকে যেতে হয়। ঠিক তখনই পরিত্রাতার ভূমিকায় দেখা দিলেন হেনরি কিসেকা। নিজের প্রথম ম্যাচেই গোল করে সবুজ মেরুন সমর্থকদের মন জয় করে নিলেন বাগানের নতুন ১০ নম্বর জার্সিধারী।
প্রথম ম্যাচে ডিকাকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল শঙ্করলালের ছেলেরা। বিদেশী বলতে ডিফেন্সে কিংসলে ও আক্রমণে কিসেকা। শুরু থেকেই বল ধরে খেলতে থাকে মোহনবাগান। মাঝমাঠ গুছিয়ে ছোট ছোট পাসে খেলা। মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণের চেষ্টা করে পাঠচক্র। অধিনায়ক লালকমল ভৌমিকের নেতৃত্বে মাঝেমধ্যেই আক্রমণ শানায় তারা। কিন্তু কোনও দলই গোলের মুখ খুলতে পারছিল না।
দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি সুযোগ তৈরি করে দুই দল। ৫৪ মিনিটের মাথায় লালকমলের ক্রেসে দীপঙ্করের হেড ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ বাঁচান শিলটন পাল। ৬০ মিনিটের মাথায় আজহারুদ্দিনের শট গোলে ঢোকার মুহূর্তে গোললাইন সেভ করেন সেই দীর্ঘদেহী ভিক্টর। এক মিনিট পরেই কিসেকার শট বারে লেগে ফেরে। এরপর তীর্থঙ্কর রায় মাঠে নামার পর আরও আক্রমণ করতে থাকে বাগান।
৭৬ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে তীর্থঙ্করের ক্রস বের করতে ব্যর্থ হন পাঠচক্রের গোলকিপার অরিন্দম ঘোষ। সুযোগসন্ধানী কিসেকা ডান পায়ের টোকায় জালে বল জড়িয়ে দেন কিসেকা। মোহনবাগান এগিয়ে জায় ১-০ গোলে। এরপর গোলশোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাঠচক্র। শেষ মিনিটে ফাঁকা জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন পাঠচক্রের নতুন নামা সন্দীপ।