
শেষ আপডেট: 3 April 2024 23:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি দলের ৩৩ রানের বিনিময়ে চার উইকেট পড়ে যাওয়ার পরেই কলকাতার জয়ের প্রহর গোনা শুরু। তারপর ম্যাচ যত গড়িয়েছে ততই নাইটদের মুখের হাসি চওড়া হয়েছে। সৌরভের দিল্লির হার ১০৬ রানে। কেকেআরের ২৭২ রানের জবাবে তারা করেছে ১৬৬ রান।
মিচেল স্টার্ক উইকেট পাচ্ছিলেন না বলে অনেক সমালোচনা হয়েছিল, এদিন ম্যাচে তিনি দেখালেন কেন তাঁর দর ২৫ কোটি টাকা। এই নামী বোলার আউট করেছেন স্বদেশীয় ওয়ার্নার ও মার্শকে। তাতেই খেলার পার্থক্য হয়ে গিয়েছে।
দিল্লির হয়ে অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ২৫ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেছেন। যোগ্য সঙ্গত করেন স্টাবস। কিন্তু নারিন ও বরুণ চক্রবর্তীরা যা বোলিং করেছেন পেরে ওঠেনি দিল্লি।
যদিও কেকেআরের বোলিং নিয়ে আলোচনা করলে বলতে হবে বৈভব অরোরার কথা। তিনি এই ম্যাচে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠে তিন উইকেট নিলেন। তিনিও দলের বড় জয়ে সহায়তা করলেন।
সুনীল নারিন যতক্ষণ উইকেটে থাকেন, সেইসময় রান ওঠে বন্যার মতো। বিপক্ষ দল সবসময় চাপে থাকে। যিনি গত আইপিএলে ১৪টি ম্যাচে মোট রান করেছিলেন ২১, সেই তারকাই গত দুটি ম্যাচে নির্দয়ভাবে পেটালেন বিপক্ষ বোলারদের। কেকেআরের ব্যাটারদের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তারা তুলেছে ২৭২/৭। আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহ গড়লেন নাইটরা।
বুধবারও ভাইজাগে নারিন দিল্লি বোলারদের ধ্বংস করেছেন। তাঁর পাশে ১৮ বছরের তরুণ ব্যাটার রঘুবংশীও কম গেলেন না। নারিন ৫০ রান করেছেন ২১ বলে, ইনিংসে ছিল ছয়টি চার, চারটি ওভার বাউন্ডারি। নারিন থামলেন ৩৯ বলে ৮৫ রান করে। ইনিংসে রয়েছে সাতটি চার, সাতটি ছক্কা।
নারিন (৮৫) ও রঘুবংশী (২৭ বলে ৫৪) যেভাবে জুটি বেঁধে খেলছিলেন, তাতে একটা সময় মনে হচ্ছিল নাইটদের রান তিনশো ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু সেটি হয়নি। নারিন আউট হলেন মিচেল মার্শের বলে উইকেটের পিছনে ঋষভের হাতে ক্যাচ দিয়ে। আর রঘুবংশী ফিরলেন নর্টজের বলে।