
শেষ আপডেট: 1 May 2021 06:19
নাগাহামা বন্দর থেকে সমুদ্রপথে তিরিশ মিনিট লাগে এওশিমা পৌঁছাতে। অপূর্ব সুন্দর দ্বীপটিকে ঘিরে আছে নীল সফেন সমুদ্র।[/caption]
[caption id="attachment_227826" align="aligncenter" width="600"]
এওশিমা দ্বীপে মৎসজীবীদের গ্রাম। এখন প্রায় জনমানব শূন্য। মাত্র ৬ জন মানুষ থাকেন। বিড়ালদের দেখাশুনা করার জন্য।[/caption]
[caption id="attachment_227827" align="aligncenter" width="600"]
ছজন বাসিন্দাকেও ঘর থেকে সাবধানে বের হতে হয়। পাছে বিড়ালদের গায়ে পা পড়ে যায়।[/caption]
[caption id="attachment_227828" align="aligncenter" width="600"]
এওশিমা দ্বীপের যেদিকে তাকাবেন সেদিকে এই দৃশ্য দেখতে পাওয়া যাবে। যেন বিড়ালদের সভা চলছে। এই ছবিতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, বিড়ালরা পর্যটকদের বোট দ্বীপে ভেড়ার জন্য অপেক্ষা করছে। তারা জানে পর্যটকেরা ওদের জন্য কিছু উপহার আনবেন।[/caption]
[caption id="attachment_227831" align="aligncenter" width="600"]
পর্যটকরা নামার আগেই বোট ঘিরে ফেলে বিড়ালেরা। যে আগে যাবে সে আগে পাবে, এই ধারনা নিয়েই।[/caption]
[caption id="attachment_227824" align="aligncenter" width="600"]
পর্যটকেদের অভিবাদন জানায় দ্বীপের বাসিন্দারা। তারা কিন্তু কেউ আক্রমণাত্মক নয়। বিড়ালরা জানে পর্যটকেরা তাদের দেখতেই দ্বীপে পা রেখেছেন।[/caption]
[caption id="attachment_227835" align="aligncenter" width="600"]
পর্যটকরা তাদের জন্য মুলত মাছ নিয়ে আসেন। কেউ কেউ আনেন চকোলেটও।[/caption]
[caption id="attachment_227839" align="aligncenter" width="600"]
খাওয়া হয়ে গেলে খুশিমনে বসে পড়ে পর্যটকদের ক্যামেরার সামনে। কারণ তারা জানে,পর্যটকদের খুশি রাখলেই জুটবে মাছ। বিড়ালরা তো আর সমুদ্রে নেমে মাছ ধরবে না।[/caption]
[caption id="attachment_227842" align="aligncenter" width="600"]
মানুষের ছেড়ে যাওয়া বাড়িঘর এখন বিড়ালদের দখলে। পর্যটকদের সেখানেও নিয়ে যায় বিড়ালেরা।[/caption]
[caption id="attachment_227843" align="aligncenter" width="600"]
তবে তারা বিছানায় ঘুমায় না। ভাঙা পিয়ানোর খোল, টিভি বা খাটের তলা হল তাদের পছন্দের জায়গা।[/caption]
[caption id="attachment_227844" align="aligncenter" width="600"]
পর্যটকরা বিদায় নেওয়ার পরে বিড়ালেরা ফিরে চলে যে যার নিজের ঘরে। নয়ত খেলার মাঠে। না দ্বীপে কোনও খেলার মাঠ নেই। পুরো দ্বীপটাই যে তাদের খেলার মাঠ।[/caption]