Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?

'গড়পড়তা নয়, রঙিন জীবনের খোঁজে...', আমেরিকা ছেড়ে ভারতে নিজের ঠিকানা খুঁজে পেলেন ক্রিস্টেন

চার বছর আগে ভারতে আসার পর থেকে এই সিদ্ধান্তের জন্য এক মুহূর্তের জন্যও আফসোস করেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। বরং এ দেশ তাঁকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।

'গড়পড়তা নয়, রঙিন জীবনের খোঁজে...', আমেরিকা ছেড়ে ভারতে নিজের ঠিকানা খুঁজে পেলেন ক্রিস্টেন

ক্রিস্টেন ফিশার

শেষ আপডেট: 23 June 2025 15:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমেরিকায় (American Woman Lives in India)। তবে জীবনের গতি বদলাতে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ক্রিস্টেন ফিশার (Kristen Fischer)। গত চার বছর ধরে পরিবার-সহ ভারতে থাকছেন তিনি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্রিস্টেন জানিয়েছেন, কেন তিনি আমেরিকার সুনির্দিষ্ট, নিরাপদ জীবন ছেড়ে ভারতে চলে আসেন (American Woman Lives in India)।

সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ক্রিস্টেন লিখেছেন, “আমি জানতাম, আমার জীবনের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার আমার নিজের। আমি চাইলে আমেরিকায় (America) থেকে নিরাপদ, গড়পড়তা একটা জীবন কাটাতে পারতাম। কিন্তু আমি ভেবেছিলাম, জীবনে একবার সাহসী কিছু করে দেখা যাক। সেই পথেই আমি হেঁটেছি—ভারতকে (India) বেছে নিয়েছি।”

চার বছর আগে ভারতে আসার পর থেকে এই সিদ্ধান্তের জন্য এক মুহূর্তের জন্যও আফসোস করেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। বরং এ দেশ তাঁকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। “এই ক’ বছরে এমন কিছু অসাধারণ মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে, এমন কিছু জায়গা দেখেছি, এমন কিছু খাবার খেয়েছি—যা আমার মন, আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে।”

ভারতের প্রতি তাঁর মুগ্ধতার কথাও লিখেছেন ক্রিস্টেন। বলেন, “এই দেশ আমার হৃদয়টা বদলে দিয়েছে। আমি আর আগের মানুষ নেই। জীবন একটা—তোমার বাঁচার পথ তুমি ঠিক করবে।”

ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ক্রিস্টেন কখনও হোলির রঙে মেতে উঠছেন, কখনও মেহেন্দি পরছেন, কখনও বা শাড়ি পরে ভারতীয় উৎসব উদ্‌যাপন করছেন। সন্তানদের সঙ্গে মিশে গিয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতি। কখনও দিল্লির রাস্তায় অটো চড়ছেন, কখনও স্ট্রিট ফুড উপভোগ করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাঁর সাহস এবং ভারতপ্রেমকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন। এক ইউরোপপ্রবাসী ভারতীয় লেখেন, “ভারতকে খুব মিস করি। বিদেশিরা যখন ভারতের প্রশংসা করেন, গর্বে মন ভরে যায়।” আর এক জন মন্তব্য করেন, “আমার স্বামী আমেরিকান। খুব শীঘ্রই আমরা স্থায়ীভাবে ভারতে গিয়ে থাকতে চাই।”


```