
ভোটের পর মুদির দোকানেও ওষুধ বিক্রি
শেষ আপডেট: 18 April 2024 13:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের পর ওষুধ নিয়ে দেশে বড় পদক্ষেপ করার ভাবনাচিন্তা চলছে। মুদির দোকানে চাল-ডাল-তেল-নুনের সঙ্গে ওষুধও বিক্রির অনুমতি দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সব ধরনের ওষুধ নয়। পেট খারার, জ্বর, মাথাব্যথা, প্রেসার, সুগার, ছোটখাটো চোট-আঘাত এবং হার্টের অসুখের কিছু প্রাথমিক ওষুধ মুদি দোকানেও পাওয়া যাবে।
কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকার ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি নীতি ওষুধের ক্ষেত্রে কার্যকর করতে চলেছে। মূলত গ্রামীণ ভারতের কথা বিবেচনায় রেখে এই নীতি কার্যকরের ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রের চিকিৎসা অধিকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
একটা সময় গ্রামে তো বটেই, শহর-মফস্বলেও মুদির দোকানে ওষুধ পাওয়া যেত। অনেকে বাড়ি থেকেও ওষুধ বিক্রি করতেন। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রশাসন কখনও তাতে বাধা দেয়নি। কারণ, তখন শহরেও আজকের মতো পাড়ায় পাড়ায় দুটো-চারটে করে ওষুধের দোকান ছিল না। এখন সরকারিভাবেই মুদির দোকানে ওষুধ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সেই অনুমতি মিলবে প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় যেখানে পাঁচ-দশ কিলোমিটারের মধ্যে ওষুদের দোকান নেই।
সরকারি সূত্রে বলা হচ্ছে, এখনও গ্রামে বহু মানুষ ওষুধের অভাবে অসুখবিসুখের যন্ত্রণা ভোগ করেন। যেমন হার্টের ব্যথা উঠলে সরবিট্রেট জরুরু ওষুধ। প্রেসার, সুগার, কোলেস্টেরলের ওষুধ প্রতিদিন খেতে হয়।
গ্রামে এমনীতেই ডাক্তারের বড় অভাব। কিন্তু শহর-মফস্বলে গিয়ে ডাক্তার দেখানো গেলেও হাতের কাছে ওষুধের দোকান না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয়। ইওরোপ-আমেরিকায় এই সমস্যা দূর করতে মুদি দোকানে ওষুধ বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই সব ওষুধই বিক্রি করা যাবে যেগুলি মানুষ সাধারণত ডাক্তার না দেখিয়েও ব্যবহার করে থাকে। মুদির দোকানেও বৈধ ব্যবস্থায় ওষুধ সরবরাহ করা হবে। বছর কয়েক আগে কেন্দ্রীয় সরকার ‘জনঔষধি’ নামে কম দামে ওষুধ বিক্রির কাউন্টার খুলেছে শহর, মফস্বল এলাকায়। ওই ওষুধই নিয়মিত স্বীকৃত মুদি দোকানে সরবরাহ করা হবে।