
শেষ আপডেট: 9 December 2020 10:12
তরমুজ যে কেবলমাত্র সুস্বাদু এমনটা নয়, এর সঙ্গেই এটা খুবই স্বাস্থ্যকর। পেশির ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তরমুজ অন্যতম সেরা একটি ফল। এতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে, যা শরীরে তরল ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তরমুজে প্রাকৃতিক ভাবেই সিট্রোয়ালিনের মতো অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে যা শরীরে রক্ত প্রবাহকে উন্নত করে। স্প্যানিশ গবেষকরা ২০১৩ প্রমাণ করেন যে ৫০০ মিলি তরমুজের রস খেলোয়াড়দের পেশির ব্যথাকে কমাতে খুবই সাহায্য করে।
২. অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডোতে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইট, যা পেয়ীর ক্র্যাম্পগুলো কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও পেশির সংকোচন, প্রসারণেরও সহায়তা করে।
৩. নারকেলের জল
নারকেলের জলে রয়েছে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস। নারকেলের জল যেমন খেতে ভাল, তেমনই শরীররে পেশির ক্র্যাম্প দূর করতে সহায়তা করে। অ্যালানাইন, আর্গিনাইন, সিস্টাইনের মতো অ্যামিনো অ্যাসিডও রয়েছে এর মধ্যে, যা পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ স্পোর্টস নিউট্রিশনের জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাতে দেখা গেছে যে নারকেলের জল খেলোয়াড়দের শরীরে হাইড্রেশনকে ঠিক রাখে।
৪. কলা
বাচ্চাদের মাংসপেশিকে মজবুত করার জন্য কলা খুবই উপকারী একটা ফল। ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এতে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ওয়ার্কআউটের আগে অনেকেই কলা খাওয়ার কথা বলেন।
৫. পেঁপে
দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম ও পটাসিয়াম রয়েছে যা পেশির যে কোনও সমস্যাকেই নির্মূল করতে সাহায্য করে। দুধে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকার জন্যও এটা পেশির জন্য ভাল হয়। দুধ থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড পেশির বৃদ্ধি ও ভাল থাকাতে সহায়তা করে।
তবে ব্যথা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, আর কিছু দিন পর পরই কেউ যদি পেশিতে ব্যথা অনুভব করেন, তাহলে দেরি না করে শীঘ্রই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা দরকার।