
শেষ আপডেট: 26 October 2018 18:30
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মারিয়ম ফারভিদ বলেছেন, "আগের অনেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্রসেসড খাবার নানা ধরণের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। বর্তমান গবেষণা বলছে স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা দ্বিগুণ করে প্যাকেটবন্দি মাংস। " ক্যানসারের ইতিবৃত্ত এখনও রহস্যে ভরপুর। আগাম আঁচ না দিয়েই আচমকা রোগটা থাবা বসায় শরীরে। তাই সাবধান থাকাটা সবার আগে জরুরি বলেই মনে করছেন মারিয়ম।
প্রক্রিয়াজাত খাবারের এমন রমরমা বাজারে। বহু পরিবারেই সকালের খাবারে বা ছোটদের স্কুলের টিফিনে প্রক্রিয়াজাত মাংসের নানা পদ জায়গা করে নেয় প্রায় রোজই। খুচরো খিদে মেটাতে আমরা প্রায়ই প্যাকেটজাত স্যান্ডউইচ, বার্গার, হটডগের দ্বারস্থ হই। একটা আস্ত বার্গার মানেই বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য পেট ভর্তি, মনও খুশ। চিকিৎসকদের মতে, এমনিতেই ‘রেড মিট’ নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়, তার ওপরে প্যাকেটবন্দি রেড মিটের সসেজ, বেকন বা বার্গার আরও ক্ষতিকর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার সংরক্ষণের রাসায়নিকগুলি শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। আবার রেড মিট-ও ক্ষতিকর। ওই দু’টি যদি একসঙ্গে মেশে তা হলে তার ফল হতে পারে ভয়াবহ।
খাওয়াদাওয়ার ভুল অভ্যাস এবং নিয়মিত শরীরচর্চার অভাবে স্থূলত্বের সমস্যা ঊর্ধ্বমুখী। ইতিমধ্যেই একে ক্যানসারের কারণ হিসেবে দায়ী করেছে বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তার উপর প্যাকেটজাত খাবারের প্রেমে মজেছে নতুন প্রজন্ম। এই ধরণের খাবার শিশুদেরও বিশেষ পছন্দের। অভিভাবকরাও আদর করে সেটা কিনে দিচ্ছেন। কারণ, এটা স্ন্যাকসও বটে, আবার সহজলভ্য। বাড়িতে রান্নার ঝামেলা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যাকেটবন্দি এই সব আমিষ খাবার এক-আধ দিন চলতে পারে। কিন্তু নিয়মিত এ সব খাওয়ার অর্থ রোগকে আদর করে ঘরে ডেকে আনা। খুব দ্রুত এই অভ্যাসে লাগাম না টানলে সমূহ বিপদ দরজায় কড়া নাড়তে পারে।