
বদর খান সুরি। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 21 March 2025 10:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হামাস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে ভারতীয় গবেষক বদর খান সুরিকে দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে মার্কিন আদালতের নির্দেশে বদর খান আমেরিকায় আপাতত থাকার সুযোগ পেলেন। আমেরিকার একটি আদালতের বিচারক জানিয়ে দিয়েছেন, আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক-ছাত্র বদর খানকে ভারতে পাঠানো যাবে না।
বদর খানের আইনজীবী জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি দেশের বিদেশনীতি ভঙ্গ করেছেন। প্রত্যাবর্তনের আদেশের বিষয়ে ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক প্যাট্রিসিয়া টলিভার গিলস তাঁর নির্দেশে বলেছেন, আদালত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বদর খানকে তাঁর দেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না প্রশাসন। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার থেকে হামাসের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে বদর খানকে লুইসিয়ানায় আটক করে রাখা হয়েছে। এখন তাঁকে জামিনে মুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন আইনজীবীরা। আইনজীবী জানান, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে ডঃ বদর খান সুরিকে পরিবারের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন পুলিশ।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে আইনজীবী জানিয়েছেন, তিনি কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত এমন কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি পুলিশ। এমনকী আদালতে তাঁকে আটক করে রাখার কোনও উপযুক্ত কারণও তোলা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্র জানান, আমরা আশা করি, বদর খান সুরি আইনি ব্যবস্থায় নিরপেক্ষ বিচার পাবেন। আদালতে দেওয়া নথিপত্র থেকে জানা গিয়েছে, বদর খান সুরি আফগানিস্তান ও ইরাকে শান্তিস্থাপনের প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার মার্কিন ভিসা পেয়েছিলেন।
এর আগে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট বোর্ড অফ ডিরেক্টর্সকে জানিয়েছিলেন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতর খানকে আটক করেছে এবং তাঁর ভিসার অনুমতি প্রত্যাহার করেছে প্রশাসন। বদর খান বিবাহিত এবং তাঁর সন্তানও রয়েছে। কিন্তু তাঁর স্ত্রীকে কোথায় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে, তা জানানো হয়নি। এমনকী উত্তরপ্রদেশে বাস করা বাবা-মাকেও মার্কিন পুলিশ আটক করার বিষয়ে কিছু জানায়নি।