গোটা বিশ্বই মুখিয়ে ছিল জাপানের চন্দ্রাভিযান নিয়ে। কিন্তু সাফল্যের মুখ দেখতে পাওয়া গেল না। চাঁদেই আছড়ে পড়েছে জাপানি চন্দ্রযান। সে দেশের একটি বেসরকারি সংস্থা এই চন্দ্রযান পাঠিয়েছিল।

সফল হল না জাপানের চন্দ্রাভিযান
শেষ আপডেট: 6 June 2025 11:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোটা বিশ্বই মুখিয়ে ছিল জাপানের চন্দ্রাভিযান (Japan Moon Mission ) নিয়ে। কিন্তু সাফল্যের মুখ দেখতে পাওয়া গেল না। চাঁদেই আছড়ে পড়েছে জাপানি চন্দ্রযান। সে দেশের একটি বেসরকারি সংস্থা এই চন্দ্রযান (Hakuto-R Mission 2) পাঠিয়েছিল।
হাকুতো ২ অভিযানে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা ছিল ল্যান্ডার রেসিলিয়েন্সের (Resilience)। পালকের মতো শুধু চাঁদের মাটি ছোঁয়াই নয়, দুর্গম উত্তর মেরুর সি অফ কোল্ড বা 'শীতল সমুদ্রের' বুকে নামার কথা ছিল চন্দ্রযানের। ভারতীয় সময়ে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৪৭ নাগাদ ল্যান্ড হওয়ার কথা ছিল চন্দ্রযানটির। পৃথিবী থেকে নিয়ে যাওয়া 'চাঁদের বাড়ি' বা মুন হাউস তো বসানো সম্ভবই হল না, ল্যান্ড করার আগেই আছড়ে পড়ে রেসিলিয়েন্স। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, গতিবেগ কমানো যায়নি বলেই অভিযান অসফল হয়।
মাটি ছোঁয়ার আগের মুহূর্তেও গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৮৭ কিলোমিটার, মাটি থেকে দূরত্ব ছিল ২২৩ মিটার। এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে মাটি ছোঁয়ার কথা ছিল, আর তাতেই বিপত্তি ঘটে বলে ধারণা।
ল্য়ান্ডারটিকে বানানো হয়েছিল অত্যন্ত যত্নসহকারে। চাঁদের বাড়ি বা মুন হাউসটি তৈরি করা হয় সুইডিশ বাড়িগুলির ঢঙে। মানবসভ্যতার সাফল্যের প্রতীক হিসেবে সেই বাড়িটিকে চাঁদের মাটিতে নামানোর কথা ছিল।
ল্য়ান্ডারটির উচ্চতা ছিল ২.৩ মিটার। সব কিছু মোটামুটি ঠিক থাকলে ১৪ দিন ধরে চাঁদের উত্তর মেরুতে গবেষণা চালাত রেসিলিয়েন্স। যেহেতু ১৪ দিন পর চাঁদের রাত নামবে, তার আগেই গবেষণা সফল করার কথা ছিল। যার মধ্যে ছিল চাঁদের মাটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করা, ছবি তোলা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে এই নিয়েই চুক্তি হয় আইস্পেস-এর।