Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

জালিয়াতির শিকার ফারহান আখতার! ড্রাইভারের হাতেই খোয়ালেন ১২ লাখ টাকা

বলিউড অভিনেতা ফারহান আখতারের পরিবারে ঘটেছে বড়সড় জালিয়াতি। ড্রাইভার ও পেট্রোলপাম্প কর্মীর সঙ্গে যোগসাজশে ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ। বিস্তারিত পড়ুন।

জালিয়াতির শিকার ফারহান আখতার! ড্রাইভারের হাতেই খোয়ালেন ১২ লাখ টাকা

ফারহান আখতার

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 4 October 2025 13:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউড অভিনেতা-পরিচালক ফারহান আখতারের পরিবারে ঘটেছে এক বড়সড় জালিয়াতির ঘটনা। অভিযোগ উঠেছে, ফারহানের মায়ের গাড়ির চালক পেট্রোল পাম্প কর্মীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই ঘটনায় ফারহান আখতারের মা হানি ইরানি বান্দ্রা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মুম্বই পুলিশ এই জালিয়াতির ঘটনায় হানি ইরানির গাড়িচালক নরেশ সিং (৩৫) এবং বান্দ্রা লেকের কাছে একটি পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী অরুণ সিং (৫২)-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

গত ১ অক্টোবর হানি ইরানির ম্যানেজার দিয়া ভাটিয়ার কাছে এই জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। অভিযোগ অনুসারে, জ্বালানির হিসেব করার সময় ম্যানেজার দিয়া দেখতে পান, হানি ইরানির মারুতি গাড়িটির ট্যাঙ্কের ধারণক্ষমতা মাত্র ৩৫ লিটার হওয়া সত্ত্বেও, সেখানে ৬২১ লিটার ডিজেল ভর্তি করা হয়েছে দেখানো হয়েছে।

এই বিষয়ে নরেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁর উত্তর সন্তোষজনক ছিল না। তদন্তে দিয়া আরও আবিষ্কার করেন যে নরেশ তিনটি কার্ড ব্যবহার করেছেন, যেগুলি সবই জাভেদ আখতারের নামে নিবন্ধিত। শুধু তাই নয়, সাত বছর আগে বিক্রি হয়ে যাওয়া একটি গাড়ির জন্যও নরেশ জ্বালানি কিনেছেন বলে কার্ডের তথ্যে ধরা পড়ে।

ম্যানেজার দিয়া হানি ইরানিকে পুরো বিষয়টি জানালে, নরেশ সিং গোটা জালিয়াতির ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হন। নরেশ স্বীকার করেন যে, তিনি ২০২২ সালে ফারহানের পূর্ববর্তী ড্রাইভার সন্তোষ কুমারের কাছ থেকে ওই তিনটি কার্ড পেয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি বান্দ্রা লেকের কাছে এসভি রোড পেট্রোল পাম্পেই সর্বদা তেল ভরতেন।

নরেশ জানান, তিনি প্রায়ই এই পেট্রোল পাম্পে কার্ড সোয়াইপ করতেন, কিন্তু তেল ভরতেন না। বিনিময়ে পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী অরুণ সিং এবং অন্যান্য কর্মীরা তাঁকে জালিয়াতির টাকা থেকে হাজার বা পনেরশো টাকা করে কমিশন দিতেন।

এই ঘটনার জেরে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা), ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), এবং আরও কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে।


```