বলিউডের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতির আরেকটি পালক জুড়ল দীপিকা পাড়ুকোনের মুকুটে। ২০২৬ সালের ‘হলিউড ওয়াক অফ ফেম’ ক্লাসে জায়গা পেয়েছেন তিনি—এমন কৃতিত্ব এর আগে কোনও ভারতীয় অভিনেত্রীর ঝুলিতে ছিল না।

দীপিকা পাড়ুকোন
শেষ আপডেট: 4 July 2025 10:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতির আরেকটি পালক জুড়ল দীপিকা পাড়ুকোনের মুকুটে। ২০২৬ সালের ‘হলিউড ওয়াক অফ ফেম’ ক্লাসে জায়গা পেয়েছেন তিনি—এমন কৃতিত্ব এর আগে কোনও ভারতীয় অভিনেত্রীর ঝুলিতে ছিল না। মোশন পিকচার বিভাগের এই সম্মানে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েছেন দীপিকা। তবে এত বড় সম্মানের পেছনে রয়েছে কিছু কম-জানা তথ্য, যেগুলো নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই খ্যাতির জন্য কি টাকা খরচ করতে হয়?
‘ওয়াক অফ ফেম’ আসলে কী?
লস অ্যাঞ্জেলেসের হলিউড বুলেভার্ডের বিখ্যাত ফুটপাথজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ২৭০০-রও বেশি তারকা-আকৃতির ফলক, যেখানে খোদাই করে লেখা থাকে বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের নাম। ছবি, টেলিভিশন, সংগীত, রেডিয়ো ও থিয়েটার—বিভিন্ন জগতের প্রভাবশালী তারকাদের নামের চিহ্ন এভাবেই থেকে যায় ‘ওয়াক অফ ফেম’-এ।
প্রতি বছর হলিউড চেম্বার অফ কমার্স-এর একটি বিশেষ নির্বাচন প্যানেল প্রায় ২০০-৩০০ জন মনোনীত ব্যক্তির মধ্য থেকে কয়েকজনকে এই সম্মানের জন্য বেছে নেন। সরকারি কোনও মানদণ্ড নেই—কিন্তু একজন তারকার কাজ ও সাংস্কৃতিক প্রভাবই মূলত বিবেচ্য হয়।
দীপিকা ছাড়াও কারা থাকছেন ২০২৬ সালের তালিকায়?
এই বছর দীপিকার সঙ্গে তালিকাভুক্ত হয়েছেন এমিলি ব্লান্ট, টিমোথি চালামেট, ম্যারিয়ন কোটিলার্ড, র্যাচেল ম্যাকঅ্যাডামস, রামি মালেক, স্ট্যানলি টুচি, ডেমি মুর প্রমুখ। পরিচালক টনি স্কট ও ক্রিস কলম্বাস এবং টিভি ব্যক্তিত্ব সারা মিশেল গেলার ও গ্রেগ ড্যানিয়েলসের নামও রয়েছে।
সরাসরি নির্বাচনের জন্য কোনও টাকা দিতে হয় না। তবে নির্বাচিতদের দিতে হয় একটি স্পনসরশিপ ফি, যার পরিমাণ ৮৫,০০০ ডলার—ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭৩ লক্ষ টাকা। এই অর্থ ব্যবহার করা হয় সেই তারকার জন্য নির্দিষ্ট তারকা-ফলকটি তৈরি, ইনস্টল এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজে। ওয়াক অফ ফেম কর্তৃপক্ষের মতে, এটি একটি প্রশাসনিক এবং কারিগরি খরচ যা নিয়মিতভাবেই প্রযোজ্য।