Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই! রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর, দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণভোটের মুখে হুগলিতে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি! ক্ষুব্ধ স্মৃতি ইরানি মাঝপথেই ছাড়লেন শোভাযাত্রা

EPL: পেদ্রোর গোলে টটেনহ্যামকে হারিয়ে ডার্বি জিতল চেলসি, আমাদের গোলে ম্যান ইউয়ের মানরক্ষা

শেষ মিনিটে দিয়ালোর শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার না হলে হয়তো তিন পয়েন্টই তুলত ইউনাইটেড। তবুও এক পয়েন্টে পঞ্চম স্থানে উঠে এল তারা, সুযোগ হারাল সিটি-কে পেছনে ফেলার।

EPL: পেদ্রোর গোলে টটেনহ্যামকে হারিয়ে ডার্বি জিতল চেলসি, আমাদের গোলে ম্যান ইউয়ের মানরক্ষা

জোয়াও পেদ্রো

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 2 November 2025 11:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লন্ডন ডার্বিতে ঘরের মাঠে মুখ থুবড়ে পড়ল টটেনহ্যাম হটসপার (Tottenham)। জোয়াও পেদ্রোর (Joao Pedro) একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে লন্ডন ডার্বি জিতে নিল চেলসি (Chelsea)। ম্যাচ শেষে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্পার্স সমর্থকেরা!

অথচ এই লড়াই থেকে ৩ পয়েন্ট তুললে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠতে পারত টটেনহ্যাম। কিন্তু নব্বই মিনিটের একপেশে লড়াই শেষে হাতভরা শূন্যতা। পুরো ম্যাচে তৈরি হল না একটাও নিশ্চিত গোলের সুযোগ—এই মরসুমে কোনও প্রিমিয়ার লিগ দলের সর্বনিম্ন ‘এক্সপেকটেড গোল’(Expected Goals) রেকর্ড করল স্পার্স, মাত্র ০.০৫xG। ২০১২-১৩ মরসুমে অপটা (Opta) যখন থেকে এই ডেটা সংগ্রহ শুরু করে, তার নিরিখে এটাই টটেনহ্যামের সবচেয়ে খারাপ পরিসংখ্যান।

খেলার শুরু থেকেই স্পার্স বল দখলে রাখলেও ফাইনাল থার্ডে এসে একেবারেই নিষ্প্রভ। দ্বিতীয়ার্ধে একটিও অন টার্গেট শট নিতে পারেনি দল। ম্যাচ শেষে প্রবল অসন্তোষে মাঠ ছাড়েন দর্শকেরা। আর চেলসি এই জয়ের সুবাদে টানা পাঁচবার লন্ডন প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারাল।

পেদ্রোর গোলটি আসে ৩৪ মিনিটে। মাঝমাঠে মোইসেস কাইসেদো (Moises Caicedo) বল কেড়ে নিয়ে নিখুঁত পাস বাড়ান ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডের পায়ে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জালে জড়ান বল। সেই এক গোলে নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। কাইসেদোর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ বিশ্লেষকেরা—‘মনস্টার ইন মিডফিল্ড’—এমনই মন্তব্য স্কাই স্পোর্টসের (Sky Sports) বিশেষজ্ঞ জেমি ক্যারাগারের (Jamie Carragher)।

টটেনহ্যামের হয়ে দুঃস্বপ্নের রাত মিকি ভ্যান দে ভেনের (Micky van de Ven)। কাইসেদোর সেই বল হারানো থেকেই গোল, পরে আবার ৭৩ মিনিটে তাঁকেই তুলে নিতে হয় কোচ থমাস ফ্র্যাঙ্ককে (Thomas Frank)। শেষ সময়ে আরও দুটি সুযোগ পেয়েছিল চেলসি—জেমি গিটেনস (Jamie Gittens) ও পেদ্রো দু’জনেই সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। তবুও ১-০ ব্যবধানের জয়েই চতুর্থ স্থানে উঠে আসে এনজো মারেস্কার (Enzo Maresca) দল, সমান পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে থাকা স্পার্সের ঠিক নীচেই। চেলসি কোচ মারেস্কা বলেন, ‘অসাধারণ জয়। ডার্বি ম্যাচে এমন পারফরম্যান্সই দরকার ছিল। অফ দ্য বল-এ যেমন লড়েছি, অন দ্য বল-এ তেমনই সুযোগ তৈরি করেছি। কাইসেদো এখন বিশ্বের সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের একজন। এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস দেবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, চেলসির জয়ের অন্যতম কারণ ছিল গোলকিপার রবার্ট সানচেজের (Robert Sanchez) দৃঢ়তা। পুরো ম্যাচে একটিও সেট-পিস থেকে শট নিতে পারেনি টটেনহ্যাম। প্রতি বলেই নিখুঁত জায়গা বেছে নিয়ে সেভ করে গিয়েছেন সানচেজ।

পরিসংখ্যান বলছে—

টটেনহ্যামের বিরুদ্ধে শেষ ১৮ ম্যাচে চেলসির ১৪ জয়, মাত্র ১ হার।

নিজেদের মাঠে শেষ ১৯ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে টটেনহ্যামের হার ১২টি।

লন্ডন ডার্বিতে ঘরের মাঠে টানা তিন হারের মুখ দেখল তারা, ২০০৪ সালের পর প্রথমবার।

একই রাতে নাটকীয় ম্যাচে ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে (Manchester United)। নটিংহ্যাম ফরেস্টের (Nottingham Forest) মাঠে ২-২ সমতা টানল রুবেন আমোরিমের (Ruben Amorim) দল। প্রথমে কাসেমিরোর (Casemiro) হেডে এগিয়ে গিয়েছিল ম্যান ইউ, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ফরেস্টের মর্গান গিবস-হোয়াইট (Morgan Gibbs-White) ও নিকোলো সাভোনা (Nicolo Savona) দ্রুত দুটি গোল করে লড়াইয়ের মোড় ঘুরিয়ে দেন। শেষ মুহূর্তে আমাদ দিয়ালোর (Amad Diallo) দুরন্ত ভলিতে ম্যাচে সমতা ফেরায় অতিথি দল।

শেষ মিনিটে দিয়ালোর শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার না হলে হয়তো তিন পয়েন্টই তুলত ইউনাইটেড। তবুও এক পয়েন্টে পঞ্চম স্থানে উঠে এল তারা, সুযোগ হারাল সিটি-কে (Manchester City) পেছনে ফেলার।


```