Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই! রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর, দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণভোটের মুখে হুগলিতে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি! ক্ষুব্ধ স্মৃতি ইরানি মাঝপথেই ছাড়লেন শোভাযাত্রা

বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ও গণভোট স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি, কী বলা হয়েছে মামলায়

বাংলাদেশের‌‌ আসন্ন‌ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও‌ গণভোট স্থগিত রাখতে চেয়ে সে দেশের সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন একজন আইনজীবী। ‌ তাঁর বক্তব্য যে নির্বাচন ও গণভোট হতে যাচ্ছে তা অবৈধ।

বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ও গণভোট স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি, কী বলা হয়েছে মামলায়

শেষ আপডেট: 23 January 2026 15:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের‌‌ আসন্ন‌ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও‌ গণভোট স্থগিত রাখতে চেয়ে সে দেশের সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন একজন আইনজীবী। ‌ তাঁর বক্তব্য যে নির্বাচন ও গণভোট হতে যাচ্ছে তা অবৈধ।

২৭ পৃষ্ঠার রিট আবেদনে সংযুক্ত নথিপত্র ও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যসহ সরকারের হস্তক্ষেপ, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো আদৌ সংবিধান অনুযায়ী কার্যকর আছে কি না।

মামলাকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাদিম আহমেদের দায়ের করা এই রিটে বলা হয়, নির্বাচন প্রক্রিয়া সংবিধানসম্মত নয়। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিরা—প্রধান উপদেষ্টা ও একাধিক উপদেষ্টা—গণভোটে প্রকাশ্যে 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিধি অনুযায়ী সরকার সুবিধাভোগী ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন না। মামলায় বলা হয়েছে, এইসব কর্মকর্তা

'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে জনসভায় বক্তব্য রাখছেন।‌ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় নির্দিষ্ট ফলাফলের পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন।‌ সরকারি যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন।‌

রিটে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সরকারি ওয়েবসাইটে শুধু 'হ্যাঁ' ভোটের প্রচারের জন্য চালু করা হয়েছে। একে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথে সম্পূর্ণ বাধা বলে বর্ণনা করা হয়েছে মামলায়।

মামলকারী আইনজীবী

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ করেছেন।‌ রিট আবেদনের সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি আনা হয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

আবেদনকারী জানান, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তিনি কমিশনের কাছে নালিশ জানিয়ে অভিযোগ ও প্রমাণ উপস্থাপন করেন। নোটিশ গ্রহণ করা হলেও কমিশন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সংবিধানে উল্লেখিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা, সাংবিধানিক শাসন, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করার‌ কর্তব্য লঙ্ঘনের শামিল।

মামলাকালি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের নীরবতাই লঙ্ঘনের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর। সাংবিধানিক অসদাচরণের মুখে নিষ্ক্রিয়তা আদালতের হস্তক্ষেপকে অনিবার্য করে তোলে।

রিটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।‌ বলা হয়েছে, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সাংবিধানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ। সংসদ নির্বাচন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ওপর ভিত্তি করে গণভোট হওয়া উচিত নিরপেক্ষ ও রাজনীতিমুক্ত।

দুটি প্রক্রিয়া একসঙ্গে চালালে ভোটারদের সিদ্ধান্ত বিকৃত হয়। এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি, রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা এবং নির্বাহী বিভাগের প্রভাব সংসদ নির্বাচনে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়


```