
রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী
শেষ আপডেট: 13 November 2024 08:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার ভোটের ময়দানে প্রথম পরীক্ষা প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা আসব না আসব না বলেও শেষ পর্যন্ত সংসদে যাওয়ার প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন। দাদা রাহুলের ছেড়ে যাওয়া কেরলের ওয়ানাড আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী তিনি।
কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হলেও নিজের প্রথম ভোট-পরীক্ষার কথা বিবেচনায় রেখে প্রিয়ঙ্কা প্রচারে যথেষ্ট দৌড়ঝাঁপ করেছেন। সোমবার প্রচারের শেষ দিনে বোনের সঙ্গে ছিলেন ওয়ানাডের দু’বারের সাংসদ রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস নেতা আগেও একদফা প্রচার করেছেন। মনোনয়ন পেশের দিন প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে রাহুল ছাড়াও মা সনিয়া হাজির ছিলেন।
উপনির্বাচন হলেও ওয়ানাডে ১৫ জন প্রার্থী লড়াইয়ে আছে। মূল প্রতিপক্ষ সিপিআইয়ের সাথিয়ান মোকেরি এবং বিজেপি নভ্যা হরিদাস। জোরদার প্রচার করেছে এই দুই শিবিরও। কেরলের সিপিএম মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন দু’বার সভা করেছেন ওয়ানাডে। কংগ্রেসেরও রাজ্যস্তরের সব নেতাই প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন।
প্রকাশ্যে না বললেও কংগ্রেসের লক্ষ্য হল প্রিয়ঙ্কাকে বিপুল মার্জিনে জেতানো। রাহুল গান্ধীর ২০১৯ ও ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে ওয়ানাডে জয়ের মার্জিন ছিল চার লাখ তিরিশ হাজার এবং তিন লাখ ষাট হাজার। কংগ্রেস নেতারা একান্তে দাবি করছেন, রাহুল গান্ধীর জয়ের মার্জিন ছাপিয়ে জিতবেন প্রিয়ঙ্কা। সেভাবেই প্রচারের কৌশল ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
সাংসদ হওয়ার পর প্রিয়ঙ্কা আগামী দিনে দলে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি নির্বিঘ্নে জিতে গেলে লোকসভায় দাদা-বোনের আক্রমণের মুখে পড়বে বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদী। মোকাবিলায় নিজেদের অস্ত্র গোপন রাখেনি গেরুয়া শিবির। ওয়ানাডে বিজেপির পাশাপাশি বাম শিবিরও প্রচার করেছে প্রিয়ঙ্কাকে প্রার্থী করে হাত শিবির ফের প্রমাণ করল কংগ্রেস মানে গান্ধী পরিবার। সনিয়া আগেই রাজ্যসভায় চলে গিয়েছেন। ফলে একই পরিবারের তিনজন সংসদে থাকবেন। গান্ধী পরিবারেও যা আগে হয়নি। কংগ্রেস এবং অন্য দলেও বিরল।