ভারতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও পুরনো। বারাণসীর কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (BHU) প্রাক্তনী তিনি। গঙ্গার ধারেই হোস্টেল। গরমের রাতে ছাদে শুয়ে থাকার সেই স্মৃতি আজও টলমল করে ওঠে তাঁর কথায়।

নরেন্দ্র মোদী ও সুশীলা কার্কি।
শেষ আপডেট: 13 September 2025 00:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শুক্রবার দায়িত্বভার গ্রহণ করে ইতিহাস গড়লেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি (Nepal's new leader Sushila Karki)। বয়স ৭৩, কিন্তু কণ্ঠে দৃঢ়তা অটুট। ছাত্র আন্দোলনের তরুণদের হাত ধরে ক্ষমতায় এসে তিনি যেন এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন পাহাড়ি দেশে।
ভারতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও পুরনো। বারাণসীর কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (BHU) প্রাক্তনী তিনি। গঙ্গার ধারেই হোস্টেল। গরমের রাতে ছাদে শুয়ে থাকার সেই স্মৃতি আজও টলমল করে ওঠে তাঁর কথায়। বললেন, “আমি এখনও আমার শিক্ষক, সহপাঠীদের মনে করি। গঙ্গার ধারে হোস্টেল ছিল। গরমকালে রাতে আমরা ছাদেই ঘুমোতাম।”
ভারত-নেপাল সম্পর্ক নিয়ে তাঁর বক্তব্য সোজাসাপটা। “প্রথমে আমি মোদীজিকে নমস্কার বলব (PM Modi, India)। আমার ওঁর সম্পর্কে ভাল ধারণা আছে। ভারত সব সময় নেপালকে সাহায্য করেছে। তবে হাঁড়ি-কলসি একসঙ্গে থাকলে শব্দ হয়ই। দেশের সম্পর্কেও তাই হয়,” মন্তব্য নতুন প্রধানমন্ত্রীর।
জনসংযোগের সম্পর্ককেই বেশি গুরুত্ব দিলেন তিনি। বললেন, “নেপাল-ভারতের মানুষ একে অপরের আত্মীয়, পরিচিত। এত ভালবাসা, এত শুভেচ্ছা— এটাই আমাদের শক্তি।”
নীতিগত প্রশ্নে অবশ্য খুব বেশি কিছু খোলসা করতে চাননি। তাঁর কথায়, “অনেক দিন ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। আন্তর্জাতিক বিষয়ে নীতি তৈরি হয় বসে আলোচনা করে।”
নিজের শহর বিরাটনগরের উল্লেখ করতেও ভোলেননি। জানালেন, সীমানা থেকে মাত্র ২৫ মাইল দূরে তাঁর বাড়ি। সীমান্তের হাটবাজারে নিয়মিত যাওয়া ছিল তাঁর ছোটবেলায়।
মোদী-ভারত প্রসঙ্গে আবারও বললেন, “আমরা ভারতীয় নেতাদের নিজেদের ভাইবোনের মতোই মনে করি। ওঁদের নিয়ে আমার খুব ভাল ধারণা।”