
ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা সুস্থিতিকর এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে চিন।
শেষ আপডেট: 14 September 2024 11:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের দাবিকে মান্যতা দিয়ে চিন জানিয়ে দিল, গালওয়ান উপত্যকা সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা মুক্ত করে দিয়েছে লালফৌজ। ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা সুস্থিতিকর এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে চিন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং জানিয়েছেন, রাশিয়ায় ভারত ও চিনা কর্তৃপক্ষের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত মজবুত করতে পদক্ষেপ নেবে।
মাও আরও বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর সেন্ট পিটার্সবার্গে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে আলোচনা করেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। সেই আলোচনায় দুই দেশই পারস্পরিক সমঝোতা বজায় রেখে চলার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এবং ন্যূনতম বোঝাপড়া কায়েম রাখার ব্যাপারে একমত হয়েছে। এর মধ্যে সীমান্ত ইস্যু নিয়েও কথা হয় দুপক্ষের মধ্যে।
লাদাখে সীমান্ত সংঘর্ষ নিয়ে চার বছর ধরে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বরফ জমে আছে। সেই বরফ গলেছে কিনা এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে মাও বলেন, গালওয়ান সহ চারটি এলাকায় চিনা ও ভারতীয় সেনা দখলমুক্ত করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এবং চারটি দখল করা এলাকা থেকেই চিনা সেনারা সরে গিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক অতীতে চিন-ভারত সীমান্ত এলাকার চারটি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করার বিষয়ে দুই দেশই বাস্তবিক পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছে। সেই হিসেবে এখন চিন-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি সুস্থিতিকর এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তাঁর মন্তব্য। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন যে, দু দেশের ৭৫ শতাংশ সীমান্ত দখলের সমস্যার হাল হয়ে গিয়েছে।
জেনেভায় এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর দাবি করে বলেন, ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সংঘর্ষের পর থেকে দুদেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। বাণিজ্যিক থেকে কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব পড়েছিল। সীমান্ত নীতি ভঙ্গ করা যায় না, যাই হোক আপাতত সেই জায়গা থেকে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে।