Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

''জন গণ মন' ব্রিটিশদের স্বাগত জানাতে লেখা হয়েছিল', জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে আজব দাবি বিজেপি সাংসদের

এই মন্তব্যের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্নাটকের মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্ক খড়্গে।

''জন গণ মন' ব্রিটিশদের স্বাগত জানাতে লেখা হয়েছিল', জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে আজব দাবি বিজেপি সাংসদের

বিশ্বেশ্বর হেগড়ে কাগেরি

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 6 November 2025 17:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটকে জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) নিয়ে বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি। বিজেপি সাংসদ (BJP MP) বিশ্বেশ্বর হেগড়ে কাগেরির (Vishweshwar Hegde Kageri) দাবি, দেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ (Jana Gana Mana) মূলত “একজন ব্রিটিশ কর্মকর্তাকে স্বাগত জানানোর জন্য লেখা হয়েছিল।” আর এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বুধবার হন্নাভরে ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাগেরি বলেন, “আমি ইতিহাস খুঁড়ে দেখতে চাই না। তখন ‘বন্দে মাতরম’কে জাতীয় সঙ্গীত করার দাবি উঠেছিল। কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষেরা সিদ্ধান্ত নেন ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘জন গণ মন’— দুটোই থাকবে। ‘জন গণ মন’ তখন রচিত হয়েছিল ব্রিটিশ অফিসারকে স্বাগত জানানোর জন্য।”

তাঁর আরও দাবি, ‘বন্দে মাতরম’-এর অবদান দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চিরকালই অনুপ্রেরণার উৎস। তাই এই ১৫০ বছরে সেটি প্রত্যেকের কাছে পৌঁছানো উচিত। স্কুল, কলেজ, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।

এই মন্তব্যের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্নাটকের মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্ক খড়্গে। এক্স-এ তিনি লেখেন, “বিজেপি সাংসদ কাগেরি এখন বলছেন, জাতীয় সঙ্গীত নাকি ব্রিটিশদের জন্য লেখা। পুরোপুরি আজেবাজে কথা! বিজেপি যে আরএসএস-এর হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটির ইতিহাস পড়ে, সেটাই প্রমাণ হল।”

খড়্গে জানান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১১ সালে ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ কবিতাটি লেখেন, যার প্রথম স্তবকই পরে ‘জন গণ মন’ হয়। এই গানটি প্রথম গাওয়া হয় ১৯১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর কলকাতায় অনুষ্ঠিত ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে— কোনও রাজাকে সম্মান জানাতে নয়।

তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, “রবীন্দ্রনাথ নিজে ১৯৩৭ ও ১৯৩৯ সালে পরিষ্কার করে বলেছেন, গানটি ভারতের ভাগ্যবিধাতাকে উদ্দেশ করে লেখা, কোনও জর্জ পঞ্চম বা ষষ্ঠকে নিয়ে নয়।”

বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে কটাক্ষ করে খড়্গে আরও বলেন, “যাঁরা ইতিহাস খোঁজেন না বলে দাবি করেন, তাঁদের উচিত আরএসএস-এর মুখপত্র অর্গানাইজারদের পুরনো সম্পাদকীয়গুলো পড়ে দেখা। আরএসএস-এর দীর্ঘ ঐতিহ্যই হল সংবিধান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতকে অসম্মান করা।”

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৫ সালের অক্ষয় নবমীতে এই গানটি রচনা করেন— যা পরবর্তীতে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে।


```