Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বছরে ২২ লক্ষ্য আয়, শিবপুরের লড়াইয়ে নামার আগে সামনে রুদ্রনীলের সম্পত্তির খতিয়ানভোটের মধ্যেই ‘মাতৃশক্তি ভরসা’ কার্ড প্রকাশ, শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে কী বললেন স্মৃতি ইরানি অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলা

চরম আর্থিক চাপে আত্মহত্যার চেষ্টা বেঙ্গালুরুর এক পরিবারের, মৃত্যু দু'জনের

বিলাসবহুল জীবনযাপন ও আর্থিক চাপে বেঙ্গালুরুতে আত্মহত্যার চেষ্টা এক পরিবারের।

চরম আর্থিক চাপে আত্মহত্যার চেষ্টা বেঙ্গালুরুর এক পরিবারের, মৃত্যু দু'জনের

বেঙ্গালুরুর সেই পরিবার

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 29 March 2026 09:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) উপকণ্ঠে চরম আর্থিক চাপে আত্মহত্যার চেষ্টা করল এক পরিবারের চারজন। ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরও দুই। প্রাথমিক তদন্তে বিপুল ঋণের (financial debt) বোঝাকেই এই মর্মান্তিক ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দেখছে পুলিশ।

মৃতদের নাম আশা (Asha, ৫৫) এবং তাঁর মেয়ে বর্ষিথা (Varshitha, ৩৪)। ঘটনাস্থলে তাঁদের মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম হয়েছেন বর্ষিথার ভাই মোহন গৌড়া (Mohan Gowda, ৩২) এবং বর্ষিথার ১১ বছরের ছেলে মায়াঙ্ক (Mayank)। তাঁদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে (private hospital) চিকিৎসা চলছে।

মোহন গৌড়া প্রথমে নিজের মা, বোন ও ভাগ্নের গলা কেটে দেন। তারপর নিজেও একইভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এই ঘটনা সামনে আসে একটি ভিডিও (video) ঘিরে, যা পরিবারটি আত্মহত্যার আগে রেকর্ড করে আত্মীয়দের পাঠিয়েছিল। সেই ভিডিওতেই আর্থিক চাপে এই চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।

ভিডিও পেয়ে তড়িঘড়ি বাড়িতে পৌঁছন আত্মীয়রা। কিন্তু দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় পিছনের দরজা দিয়ে ঢোকেন তাঁরা। ভিতরে ঢুকে চার জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

বেঙ্গালুরু রুরাল (Bengaluru Rural) জেলার সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (Superintendent of Police) চন্দ্রকান্ত এমভি (Chandrakanth MV) জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিপুল আর্থিক ঋণের চাপেই এই ঘটনা। মোহন গৌড়া চিট ফান্ড (chit fund) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৫ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন চলত তাঁর মাধ্যমে।

এ ছাড়াও অনেক মৌসুমি চিটফান্ড চালাতেন তিনি। যার আয় ও ব্যায়ে সমস্যা ছিল। বিলাসবহুল (extravagant lifestyle) জীবনযাপনের কারণে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছিল বলে দাবি পুলিশের। সেই ঋণ শোধ করতে না পেরে শেষমেশ পরিবারটি এই চরম পথ বেছে নেয়।

তবে ঘটনার আসল কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।


```