
প্রশ্নের মুখে সে জানিয়েছে, তিনটি খুনই সে করেছে।
শেষ আপডেট: 20 June 2024 18:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যৌন নির্যাতনসহ তিনটি খুনের অভিযোগে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয়েছে এক নাবালককে। ওড়িশার ভদ্রক জেলার ১৪ বছরের ওই নাবালককে বুধবার এক মহিলা এবং তাঁর মেয়েকে খুনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। এদিন আরও একজন বৃদ্ধার দেহ উদ্ধারের পর প্রশ্নের মুখে সে জানিয়েছে, তিনটি খুনই সে করেছে। সুমতী মুন্ডা নামে ওই বৃদ্ধা নাবালকের ঠাকুমা।
গতকাল পুলিশ প্রথমে এক মা-মেয়ের দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নাবালককে রাইমণি গ্রামের একটি জঙ্গলের মধ্যে ৩৫ বছরের এক আদিবাসী মহিলার দেহের পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ ও লোকজন দেখে সে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এর কয়েক ঘণ্টা পরে মহিলার ৭ বছরের মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ভদ্রক গ্রামীণ পুলিশের গনিজঙ্গ হাসিনপুর আদিবাসী সাহি এলাকার জঙ্গলমহলে ৩৫ বছরের সুকান্তি মুন্ডা এবং তাঁর ৭ বছরের মেয়ে মিনির দেহ উদ্ধার হয়। দিনমজুর পরিবার সুকান্তি ও তাঁর স্বামী রাজু মুন্ডা মেয়েকে নিয়ে জলঙ্গা এলাকায় থাকতেন।
পুলিশি জেরা ধৃত নাবালক স্বীকার করেছে, ৩৫ বর্ষীয়া মহিলাকে যৌন নির্যাতন করে তাঁকে খুন করে সে। সেই দৃশ্য ছোট মেয়েটি দেখতে পাওয়ায় শ্বাসরোধ করে তাকে মারে। এদিন ওই ঘটনাস্থলের অদূরে নাবালকের ঠাকুমার মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।
পুলিশের কাছে ছেলেটি কবুল করেছে যে, টাকাপয়সা চাওয়ায় ঠাকুমা তা দিতে পারেননি। সেই রাগে প্রথমে সুমতী মুন্ডাকে শাড়ির ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে মারে। তারপর মহিলাকে যৌন নির্যাতন করার পর খুন করে।