.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 9 October 2024 12:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরের ভোটের ফল প্রকাশের পরদিনই অপহৃত দুই জওয়ানের একজনের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হল। বুধবার রাতে দুই জওয়ানকে অপহরণ করে জঙ্গিরা। জম্মু-কাশ্মীরের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত টেরিটোরিয়াল আর্মির ২ জওয়ানকে অনন্তনাগ জেলার জঙ্গল এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
প্রাথমিক খবরে জানা গিয়েছে, অপহৃত দুই জওয়ানের মধ্যে একজন জঙ্গিদের চোখে ধুলো দিয়ে পালাতে সক্ষম হয়। তাঁর গায়ে দুটি বুলেটের ক্ষত রয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু অন্যজনকে মেরে ফেলে জঙ্গিরা। পাঠরিবাল জঙ্গল থেকে তল্লাশির সময় তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়।
স্থানীয় পুলিশ ও প্রতিরক্ষা দফতর থেকে অপহরণের সময় ও ঠিক কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে তা না বলা হলেও অনুমান ভোররাতের দিকে অপহরণ হয়ে থাকতে পারে। জঙ্গিদের কবজায় থাকা জওয়ানের খোঁজে জোর তল্লাশি শুরু হয় জঙ্গল এলাকায়।
সূত্রে জানা গিয়েছে, টেরিটোরিয়াল আর্মির দুই জওয়ানকে জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার জঙ্গল থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে জঙ্গিরা। তাঁরা সেখানে পাহারা দিচ্ছিলেন। এদের মধ্যে এক জওয়ান কোনওভাবে জঙ্গিদের হাত এড়িয়ে পালাতে সক্ষম হলেও অন্যজনের এখনও খোঁজ মেলে মৃত অবস্থায়।
অন্যদিকে, জম্মুর আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকা থেকে এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে পাকড়াও করা হয়েছে। নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ৩১ বছরের ওই পাকিস্তানিকে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা চোরাপথে ভারতে ঢোকার সময় আটক করে। মঙ্গলবার রাতে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করা ৩১ বছরের ওই যুবকের নাম শাহিদ ইমরান। পাক পাঞ্জাবের সরগোদা বাসিন্দা ইমরান। মাকওয়াল থেকে তাকে হেফাজতে নিয়ে তার কাছ থেকে ছুরি এবং স্মার্ট ওয়াচ ও একটি খালি সিম কার্ড হোল্ডার মিলেছে। ইমরানের সঙ্গে জঙ্গি যোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা চলছে।
প্রসঙ্গত, সবেমাত্র জম্মু-কাশ্মীরের ভোটের ফল প্রকাশ হয়েছে মঙ্গলবার। ১০ বছর পর বিধানসভা ভোটে ফারুক আবদুল্লা নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল কনফারেন্স ৪২টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। তাদের শরিকদল কংগ্রেসের কপালে জটেছে মাত্র ৬টি আসন। অন্যদিকে, কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি পেয়েছে ২৯ আসন। মেহবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা মুফতি হেরে গেলেও পিডিপি পেয়েছে দুটি। এবং সিপিএম ও আম আদমি পার্টি পেয়েছে ১টি করে আসন। রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন ফারুকপুত্র তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।