Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদের

কুকুরের আক্রমণে মারা গেল একলা হাঁস, শোকের ছায়া দ্বীপ জুড়ে! কেন? জেনে নিন...

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় পুরো জীবনটাই একলা কাটিয়ে দিল সে! সঙ্গীহীন, বন্ধুহীন, প্রেমহীন সেই একলা বাঁচার পর্ব শেষ করে, জীবনকে ছুটি দিল সে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে পৃথিবার নানা প্রান্তে। তার নাম ট্রেভর। পরিচিত, পৃথিবীর সব চেয়ে নিঃসঙ্গ হ

কুকুরের আক্রমণে মারা গেল একলা হাঁস, শোকের ছায়া দ্বীপ জুড়ে! কেন? জেনে নিন...

শেষ আপডেট: 28 January 2019 18:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় পুরো জীবনটাই একলা কাটিয়ে দিল সে! সঙ্গীহীন, বন্ধুহীন, প্রেমহীন সেই একলা বাঁচার পর্ব শেষ করে, জীবনকে ছুটি দিল সে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে পৃথিবার নানা প্রান্তে। তার নাম ট্রেভর। পরিচিত, পৃথিবীর সব চেয়ে নিঃসঙ্গ হাঁস সে। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে নিউ জিল্যান্ডের ছোট্ট এক দ্বীপ নিউ-এর বাসিন্দা এই ট্রেভর। এ দ্বীপে সে কোথা থেকে এসেছে, কেউ বলতে পারে না। কেউ বলে, নিউ জিল্যান্ডের মূল ভূখণ্ড থেকে জলে ভেসে চলে এসেছে সে। কেউ আবার মনে করে, নিউ-এর পাশের টোঙা দ্বীপেরই বাসিন্দা ছিল ট্রেভর। পাড়া বেড়াতে বেরিয়ে পৌঁছে গিয়েছে নিউ দ্বীপে। সমুদ্রঘেরা ভূখণ্ড হলেও নিউ দ্বীপে জলভাগ খুব কমই রয়েছে। তাই সব দিক দেখে, বুঝে খালের মতো একটা সঙ্কীর্ণ জলা জায়গায় থাকতে শুরু করেছিল ট্রেভর। তার আসল খাবার শ্যাওলা, গেঁড়ি, গুগলি জন্মায় না ওই খালে। তাই তার বদলে সে স্থানীয় মানুষদের দেওয়া ভুট্টা দানা, ওটস-- এসবই খেত দিব্যি। তবে সে যা-ই হোক না কেন, ট্রেভর কিন্তু নিউ দ্বীপে রীতিমতো সেলিব্রিটি ছিল। কারণ, ট্রেভরই নিউয়ের প্রথম এবং একমাত্র হাঁস। স্থানীয়দের দাবি, একমাত্র ট্রেভর ছাড়া এই দ্বীপে কখনও কোনও হাঁস  দেখেননি দ্বীপবাসী। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই দ্বীপের মানুষজন তাকে নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিল। ট্রেভরও বেশ আরামে-বিলাসেই ছিল সেখানে। দু'বেসা ভুট্টার দানা, ওটস খেতো সে। কিন্তু বেচারা ট্রেভর! স্বজাতির কারও মুখ দেখতে না পেয়ে, তার দিন কেটে যেত মনখারাপেই। কিছু দিন পরে, ধীরে ধীরে অবশ্য একটা মুরগির সঙ্গে একটু বন্ধুত্ব হয় তার। ওয়েকা নামে ওই মুরগি ট্রেভরের সঙ্গে প্রায়ই খেলা করত। দ্বীপের বাসিন্দারা প্রতিদিনই পালা করে ট্রেভরকে খাওয়াতে আসতেন। এমনকী ট্রেভরের থাকার জায়গাটিও নিজে হাতে পরিষ্কার করে দিতেন। ট্রেভর যাতে ভালো থাকে, তার আয়োজনে ব্যস্ত হয়ে ছিলেন দ্বীপবাসীরা। কিন্তু মুরগির বন্ধুত্ব আর মানুষের যত্ন তাকে বাঁচাতে পারল না শেষমেশ। কয়েকটা কুকুর ট্রেভরকে একলা পেয়ে তার ওপর হামলা চালায় রবিবার। ট্রেভর একা প্রতিরোধ করতে পারেনি তাদের। হিংস্র আক্রমণে প্রাণ হারায় সে। ট্রেভরের মৃত্যুর খবর শুনেই নিউ দ্বীপে শোকের ছায়া নেমে আসে। দ্বীপবাসী তার আত্মার শান্তি কামনায় নীরবতা পালন করেছেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা মিস ফিন্ডলে বলছেন, "আমি প্রায়ই ওর জন্য এক বস্তা করে ওটস নিয়ে যেতাম। কাজ থেকে ফেরার পথে খাওয়াতাম। এবার থেকে সেই রুটিনে ছেদ পড়ল। মিস করব ট্রেভরকে।" এ দিকে একলা ঘুরে ঘুরে বন্ধুকে খুঁজেই চলেছে ওয়েকা নামের সেই বন্ধু-মুরগিটি। কিন্তু তাকে কে বোঝাবে, নিউ দ্বীপের মায়া কাটিয়ে, এই পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে গিয়েছে ট্রেভর। হয়তো ট্রেভরের মতো তুচ্ছ এক প্রাণীর মৃত্যু কোনও দাগই কাটবে না বিশ্বের ইতিহাসে। কিন্তু নিউ দ্বীপের বাসিন্দারা বলছেন -- ‘ট্রেভর, তোমাকে আমরা ভুলছি না। যেখানেই থাকো, ভাল থাকো।’

```